ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দুই প্রাইমের লড়াই হল রোমাঞ্চকর। শেষ ওভারে দুটি নো বল করে প্রাইম দোলেশ্বরকে ডুবিয়েছেন মামুন হোসেন। আর এক উইকেটে ম্যাচ জিতে নিয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
বিকেএসপিতে প্রাইম দোলেশ্বরের করা ২৮৭ রানে লক্ষ্য ২ বল ও এক উইকেট হাতে রেখে টপকায় প্রাইম ব্যাংক।
শেষ ওভারে ব্যাংকের দরকার ছিল ১৬ রান। দোলেশ্বরের পেসার মামুন প্রথম বলেই সাজঘরে পাঠান মনির হোসেনকে। পরের বলে সাজ্জাদুল হক ছক্কা মেরে জমিয়ে তোলেন ম্যাচ। ছক্কা হজম করার পরের বলেই মামুন অবশ্য তাকেও ফিরিয়ে দেন সাজঘরে।
চতুর্থ বলে নতুন ব্যাটসম্যান শরিফুল ইসলাম নেন ২ রান। দুই বলে প্রাইম ব্যাংকের তখনও দরকার ৮ রান। এবারই প্রথম প্রিমিয়ার লিগ খেলতে নামা শরিফুল নো বলে হাঁকালেন ছক্কা। পরের বলটাও নো। দুই বল আগে ম্যাচ জিতে যায় প্রাইম ব্যাংক।
এই ম্যাচে জয়ের ভিত গড়ে দেয় মেহরাব হোসেন জুনিয়র ও মেহেদী মারুফের ১৪৭ রানের ওপেনিং জুটি। ৮২ রান করে মেহেদী সাজঘরে ফিরলে বিচ্ছিন্ন হয় জুটিটি। দলীয় ২৩৪ রানের মাথায় ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মেহরাব। ততক্ষণে তার নামের পাশে ১০২ রান। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজানো ১৩ চারে, ১২৫ বল খেলে।
বাকি ব্যাটসম্যানরা এদিন যোগ দেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। দলের তিন থেকে ছয় নম্বর, চার ব্যাটসম্যান মিলে করেন ৮ রান। আল-আমিন ৩, ইউসুফ পাঠান ০, নাহিদুল ইসলাম ৫, জাকির হাসান ০। সাত নম্বরে সাজ্জাদুল হক প্রতিরোধ গড়ে ৩৮ বলে ৫১ রান করায় জয়ের আশা টিকে থাকে ব্যাংকের।
মামুন হোসেন, আরাফাত সানি ও শরিফউল্লাহ নেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন জোহাব খান ও ফরহাদ রেজা।
আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়ান ম্যান শো দেখান মার্শাল আইয়ুব। মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানের ১৩৫ রানের ইনিংসে ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রানের পুঁজি পায় প্রাইম দোলেশ্বর। ১২৮ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও দুটি ছক্কা। এছাড়া ফরহাদ হোসেন অপরাজিত ৬৭ ও ফজলে মাহমুদ করেন ৪৫ রান।







