চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি থেকে নিজেকে রক্ষা করল আওয়ামী লীগ

কবির য়াহমদকবির য়াহমদ
১২:০৪ পূর্বাহ্ণ ১৫, সেপ্টেম্বর ২০১৫
মতামত
A A

শিক্ষায় ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে দুই পক্ষই দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। যে কোন ইস্যুতে দুই পক্ষ দাঁড়িয়ে যাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি কারণ এর মধ্যে অজানা অনেক কিছুই জানা যায়। সব বিষয়ে যুক্তির শেষ নাই, দুইপক্ষের অনেক যুক্তি দেখে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করেছি। যতখানি পেরেছি তার কৃতিত্ব তাদের, আর না পারার ব্যর্থতাটা একান্তই আমার। এ দুই পক্ষের যুক্তি, তর্ক-বিতর্কের আড়ালে নিজের আবিস্কার করেছি শিক্ষায় ভ্যাটবিরোধী পক্ষে। একজন নাগরিক হিসেবে কোন পক্ষ হওয়ার অধিকার আমার নিশ্চয়ই আছে!

ভ্যাট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হবে না এনবিআর, অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবারের গোঁজামিল দেওয়া ব্যাখ্যার পর বলেছিলাম ছাত্রদের দাবি আদায় হয়েছে, এবার আন্দোলন শেষ। কিন্তু এর পরের দিন অর্থমন্ত্রীর ব্যাখ্যার পর বুঝতে পারি এনবিআর-এর ব্যাখ্যা মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে তীব্র একটা আন্দোলনের গতিপথকে রুদ্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা মাত্র। কারণ এবার প্রতিষ্ঠান দিলেও পরের বার শিক্ষার্থীদের দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রীর শুক্রবারের বক্তব্য ছিল সরল এক স্বীকারোক্তি। কথার মারপ্যাঁচে তিনি অসত্য বলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করতে চাননি। যদিও একথাগুলো কারোরই ভালো লাগার কথা নয়। কারণ এই মুহূর্তে অর্থমন্ত্রীর প্রশংসাসূচক কিছু বলা মানে যমের গর্তে পা দেওয়া। দিচ্ছি এবং জেনে-বুঝেই দিচ্ছি, কারণ তাঁর সে বক্তব্য আমার মত অনেককেই ভুল ভাঙাতে সাহায্য করেছে।

এনবিআর-এর রাজনৈতিক সরকারের বিনত আনুগত্য প্রকাশের কথা ছিল না কিন্তু তারা ভ্যাট বিষয়ক কেতাবি, আইনি এবং প্রচলিত ধারাকে অমান্য করে ব্যাখ্যা দিয়েছিল এবং এর ফলে আইনত: অলাভজনক খাতকে ভ্যাটের আওতায় নিয়ে আসতে চেয়েছিল, অথচ এ সম্পর্কিত আইন সংশোধন হয়নি অথবা সরকারি কোন প্রজ্ঞাপনও জারি হয়নি। ট্রাষ্ট ভ্যাট দেবে- স্বভাবত প্রশ্ন ওঠেছে কোন আইনে!

শিক্ষার্থীদের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা কার্যত অচল হয়ে গিয়েছিল, অথচ কোন পর্যায়েই সহিংসতা হয়নি। ৫ দিন আগে যে পুলিশ বিনা উস্কানিতে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ছুঁড়েছিল, সে আক্রান্ত শিক্ষার্থীসমাজের পক্ষ থেকে পুলিশকে ফুল উপহার দেওয়ার যে অভিনব প্রতিদান তাতে করে এ তারুণ্যকে সম্মান জানানো ছাড়া উপায় নাই। অসাধারণ!

অভিযোগ ওঠেছে শিক্ষার্থীরা একজন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেছে, বিদেশিদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছে, রঙ ছিটিয়েছে, অন্যের গাড়িতে রঙ দিয়ে ইংরেজিতে ‘নো ভ্যাট’ লিখে দিয়েছে, রাস্তা অবরোধ করে গাড়ি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। অনলাইন মাধ্যমগুলোর আন্দোলনবিরোধীদের কাছ থেকে আরও অনেক অভিযোগ টুকে নেওয়া যায়, কিন্তু আর নিলাম না। মনে হচ্ছে এই অভিযোগগুলোই যথেষ্ট- তাদের দৃষ্টিতে অন্যায় এ আন্দোলনের। এত এত অভিযোগ দেখে কোনটা কত বড় অভিযোগ, আর কোনটা ছোট অভিযোগ সেটা অনুমান করতে পারছি না বলে সব অভিযোগকেই ‘মারাত্মক’ হিসেবে চিহ্নিত করলাম।

Reneta

আবার প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের ব্যাপ্তি যে এক বছরকে উদ্দেশ্য করে সেটা প্রমাণ হয় অর্থমন্ত্রীর ঠিক পরের দিনের স্বীকারোক্তিতে। ধন্যবাদটা সত্যিকার অর্থে অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া উচিত কারণ তিনিই সরকারের প্রকৃত উদ্দেশ্যকে পরিস্কার করেছেন। অযথা মিথ্যের প্রলেপ দিয়ে সত্যকে আড়াল করতে চাননি।

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে অজনপ্রিয় ব্যক্তি হচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আন্দোলনের পক্ষ-বিপক্ষ দুই পক্ষেরই চক্ষুশূল ছিলেন তিনি। এদের এক পক্ষ মনে করে ভ্যাট আরোপের জন্যে দায়ি অর্থমন্ত্রী, আর অন্য পক্ষ মনে করে অর্থমন্ত্রীর অতিকথন এ সমস্যার মূলে। এখানে দ্বিতীয় পক্ষ তাঁকে কৌশলি না হওয়ার জন্যে দোষারোপ করে আর অন্যপক্ষ সব দায় চাপিয়ে দিতে মরিয়া অর্থমন্ত্রীর ঘাড়ে। অথচ তাদের বুঝা উচিত ছিল, বাজেট একা অর্থমন্ত্রী প্রণয়ন করেন না, এটা একটা দেশের কমপক্ষে একবছরের উন্নয়ন এবং অনুন্নয়নমূলক সব কর্মকাণ্ডের দলিল। এখানে সরকার, রাষ্ট্রের সব সেক্টর জড়িত থাকে। সরকারি পরিকল্পনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের নিমিত্তে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর দিকনির্দেশনা এখানে পরিস্ফুট। সুতরাং এককভাবে যে কোন অর্থমন্ত্রীকে দায়ি করা সমীচিন বলে মনে করি না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি’র ওপর আরোপিত ভ্যাট বহাল রাখার ব্যাপারে সরকার অনড় নয় বলে রবিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আভাষ দিয়েছিলেন। রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভ্যাট নিয়ে যে জটিলতা হয়েছে, সে বিষয়টির একটি সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছানো যাবে। শিগগিরই এই সমস্যার সমাধান হবে।” আর গত বৃহস্পতিবার বলেছিলেন ভ্যাট থাকবে কিন্তু সেটা প্রতিষ্ঠান দেবে।

ভ্যাটবিরোধী এ আন্দোলন শুরুর পর থেকে কেউ কেউ এ আন্দোলনের সমালোচনা করতে গিয়ে বলতে চাইছিল যে এ আন্দোলনের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত আছে। বরাবরের মত তারা দূর থেকে দর্শক হয়েই অভিযোগ করে গেছে, কিন্তু তারা এটা কেন বুঝতে চায়নি যে এ ধরণের যে কোন আন্দোলনে যে কেউই ঢুকতে পারে। তবে এখানে দেখার বিষয় তারা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে সেটা ব্যবহার করছে কিনা।

আর অন্য কেউ অংশগ্রহণ করছে বলে তারা কেন নিজেরা অংশ নিলো না সেটাওতো প্রশ্ন রাখা যায়? আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে কি কেউ নিষেধ করেছিল অংশগ্রহণে? এমনটা কোথাও দেখিনি! ফলে হাওয়াই এসব অভিযোগকে আমলে নেওয়ার কিছু ছিল না। অভিযোগ ছিল ঢাকার বেশ কয়েকটি জায়গায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের সমর্থকেরা হামলা করেছে। এটাকে বিচ্ছিন্ন ব্যাপার হিসেবেই দেখতে চাই, কারণ কোথাও দেখিনি যে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয়ভাবে আন্দোলনকে দমন করার নির্দেশনা দিয়েছে। অতি উৎসাহী কিছু সমর্থক হয়ত এ কাজগুলো করেছে, কিন্তু এর জন্যে ছাত্রলীগকে মোটাদাগে দোষারোপ করার কিছু নাই।

আমার কাছে অবাক লেগেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ভূমিকা দেখে। একেবারে শেষদিকে এসে ভ্যাট বাতিলের আহ্বান জানানো ছাড়া তারা মৌনব্রত পালন করেছে পুরো প্রক্রিয়ায়, অথচ এ ইস্যুতে তাদেরও ভূমিকা রাখা উচিত ছিল। তারা ছাত্র এবং ছাত্রদের অধিকার নিয়ে মুখর হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহি সংসদের সাধারণ সম্পাদকের আন্দোলনে ব্যবহৃত কয়েকটি প্ল্যাকার্ড সম্পর্কে অপপ্রচারজনিত ফেসবুক পোস্ট হয়ত কিছু কিছু কর্মী-সমর্থকদের উস্কে দিতে পারে।

গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তার ফেসবুকে ৪/৫টি ছবি পোস্ট করে লিখেন- “প্রিয় সচেতন ভাই ও বোনেরা, এটা কি প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে!!!!!!!!!!” ১১ শব্দের পোস্টে ১০টি বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করে আন্দোলন সম্পর্কে তার অবস্থান পরিস্কার করেছেন। তারপরও আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগ সমর্থকদের আক্রমণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করতে চাইলেও অনেকেই বিশ্বাস করবেন না। কারণ খোদ সেক্রেটারিই যেখানে নিজেই বিরোধিতাকারীদের কাতারে! তবে এ আন্দোলনে ছাত্রলীগের অনেক সমর্থক বিভিন্নভাবে অংশগ্রহণ করেছে সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

সোমবার ভ্যাট প্রত্যাহার সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে, এবং একই দিন সকালে ছাত্রলীগ শিক্ষায় ভ্যাট প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছে বলে জানা যায়। সিদ্ধান্তগ্রহণের আভাষ পেয়ে তড়িঘড়ি করে এ অনুরোধ ছাত্রলীগকে আরও বেশি হাস্যকর করে তুলেছে। এটা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী কর্তৃক শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ প্রথমে অস্বীকার করার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনজনকে বহিস্কারের মত ঘটনা হয়ে গেল। দুই ঘটনাই নতুন কমিটির সময়কার এবং দুইবারই নবগঠিত কমিটি প্রকৃত ঘটনা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রমাণিত।

আমার কাছে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের বক্তব্য। সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত রবিবার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের উদ্দেশে বলেছেন- ব্যবসা করলে ভ্যাট দেবেন না কেন? আমরাও বলি- ব্যবসা করলে ভ্যাট দেবেন না কেন? কিন্তু আইনটা এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রষ্ঠানকে এ রাষ্ট্রই ব্যবসায়িক কিংবা লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। সরকারই যাকে লাভজনক মনে করে না সেখানে লাভ হলেও সরকারের পক্ষ থেকে লাভের ভাগ পাওয়ার অধিকার থাকে না। যদি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ট্যাক্স-ভ্যাট নিতে চান তাহলে অলাভজনক প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক বলে ঘোষণা দিন- আর এতে আইনি কোন ঝামেলাও থাকবে না।

শিক্ষায় ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন সরকারের একটা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন ছিল, এটা সরকারবিরোধী কিংবা সরকার পতনের আন্দোলন ছিল না। সরকারও জানে বলে আর দেরি না করে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়েছে। অভিনন্দন শিক্ষার্থীদের, ধন্যবাদ সরকারকে!

শিক্ষায় ভ্যাটবিরোধী যে আন্দোলন তা শুরু হয়েছিল বাজেটের পর থেকেই। এতদিন তা সরকারের নিয়ন্ত্রণেও ছিল কিন্তু গত বুধবার সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে মূলত পুলিশের গুলিবর্ষণের কারণে। এরপর মিডিয়ার কল্যাণে মানুষজন জেনেছে। এ সুযোগটা সরকারবিরোধীরা নেয়নি এটা ভাবার কোন কারণ নাই।

গত পাঁচ দিনে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের কাছে আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে গেছে। দেশের অধিকাংশ জনগণ এত কিছু জানার ও শোনার আগ্রহ না রাখলেও এটা ঠিকই ভেবেছে ‘সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিতে চাচ্ছে’ এমন। যা সরকারের জন্যে, দল হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্যে ক্ষতির কারণ ছিল।

খুব সাধারণ মানুষের মনস্তত্ব খেয়াল করলে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষই সব সময় এন্টি গভর্নমেন্ট ধারণা পোষণ করে থাকে এবং তাদের বেশিরভাগই মনে করে সরকারের লোকজন বুঝি সব লুটেপুটে খেয়ে নিচ্ছে। এটা শুরু হয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে সরকারের মন্ত্রী পর্যন্ত। আন্দোলনের তীব্রতায়, জনসাধারণের ভোগান্তির প্রতি লক্ষ্য রেখে সরকার দাবি মেনে নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিনন্দনের পাশাপাশি সরকারকেও ধন্যবাদ। গত ৫ দিনে আন্দোলনের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ভোগান্তির কবলে পড়া মানুষদের কাছে সরকারের জনপ্রিয়তায় খানিকটা হলেও আঁচড় পড়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ক্ষত হয়ে দেখা দিচ্ছিল। এ ক্ষতজনিত ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে বলে ক্ষতের ক্ষতি আর দীর্ঘস্থায়ি হয়নি।

ক্ষতটা দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগেরই ঘাড়ে এসে পড়ত!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের
নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে
প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ভ্যাট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

জেদ্দায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

জুলাই ২, ২০২৬

এআই শিল্পের কিছু অংশ একেবারেই পাগলামি: প্যালান্টির সিইও

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ধর্ষণে জন্ম নেয়া শিশুর দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের: ধর্ষককে দেয়া হয়েছে মৃত্যুদণ্ড

জুলাই ২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT