আজিজ সুপার মার্কেটের সিসি টিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রকাশক লেখক ও ব্লগার ফয়সাল আরেফিন দীপনের হত্যাকারীদের এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ ও গোয়েন্দারা। খুনিদের শনাক্ত করার চেষ্টা হিসেবে এখনও চলছে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার।
চাঞ্চল্যকর ওই হত্যা মামলার তদন্ত করতে ডিবিকে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার। শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের তিন তলায় যেখানে কুপিয়ে হত্যা করা হয় প্রকাশক লেখক ও ব্লগার ফয়সাল আরেফিন দীপনকে। ওই তলাটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় ছিলো না।
সরাসরি হত্যাকাণ্ডস্থলের কোনো ভিডিও ফুটেজ সিসি ক্যমেরায় ধরা না পরলেও আশপাশের ক্যামেরায় ধারন করা ফুটেজ থেকে হত্যাকারী চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন ডিবির জয়েন্ট কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।
শাহবাগ থানায় সোমবার নিহত ফয়সল আরেফিন দীপনের স্ত্রী ডাঃ জলির করা হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করছিলো থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ছায়া তদন্ত করছিলো ডিবি। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে এখন আর ওই মামলা তদন্ত করবে না থানা পুলিশ।
হত্যাকারীরা ক্রেতা বেশে এসেছিলো অনুমান করলেও তাদের সম্পর্কে খুব বেশী একটা তথ্য নেই তদন্তকারী পুলিশের হাতে।
দীপনের নিহত হওয়ার পরের ঘটনা জানতে দীপনের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের সাক্ষ্য নেবেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও তার প্রতি কোনো হুমকি এসেছিলো কি না তার কাছ থেকে জানার চেষ্টা করবেন গোয়েন্দারা।
মামলার বাদী ডাঃ রাজিয়া রহমান জলির মানসিক অবস্থা খানিকটা স্বাভাবিক হলে তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে জানিয়েছে ডিবি।







