দিনাজপুরে মা-ছেলে অপহরণ এবং মুক্তিপন দাবির ঘটনায় আটক পুলিশের সোর্স সফিউল আলম পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে চাঞ্চল্যকর ঘটনার এই মামলাটি গত বুধবার রাতেই ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দিনাজপুরে মা ও ছেলেকে অপহরণের পর ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ঘটনায় আটক সিআইডি পুলিশর এএসপি সারোয়ার কবীর, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনেস্টবল আহসান উল ফারুক ও মাইক্রো চালক হাবিব মিয়াকে বুধবার বিকেলে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের সোর্স সফিউল আলম পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে জিম্মায় নেয় ডিবি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে কঠোর নিরাপত্তায় দিনাজপুর চিফ জুডিসিয়াল আদালতে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি শেষে কারাগারে পাঠানো হয় পুলিশের সোর্স সফিউল আলম পলাশকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রংপুর সিআইডির কাছে পুলিশের সোর্স পলাশ নাম চিরিরবন্দর উপজলার আব্দুলপুর ইউনিয়নর নান্দারাই গ্রামের গাদুশা পাড়ার লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধ ৫০ লাখ টাকার প্রতারণার অভিযাগ আনে। এ অভিযাগের প্রেক্ষিতে গত ২৩ আগস্ট সোমবার দিবাগত রাত সাড় ৯ টায় সিআইডির সহকারি পুলিশ সুপার মো সারোয়ার কবির সোহাগ, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনষ্টবল আহসান উল ফারুক, পুলিশের সোর্স সফিউল আলম পলাশ ও মাইক্রো চালক হাবিব মিয়া উক্ত লুৎফরের বাড়িতে যায়। তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও ছেলেকে কালো মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়।
দিনাজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনায়ার হাসান পিপিএম এবং বিপিএম (বার) এ বিষয় সাংবাদিকর কাছে এখনো মুখ খুলছেন না।










