তীব্র দাবদাহ ও খরায় দিনাজপুরে বোরো ফলন নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন কৃষক। অধিকাংশ
ক্ষেতে ধানের শীষ ও দানা শুকিয়ে গেছে। এরই মধ্যে পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে
অনেক ক্ষেতের ধান। কোনো কোনো ক্ষেতে দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমণ।
দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে এক লাখ ৭৩ হাজার ছয়শ’ ৫১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাত লাখ মেট্রিক টন। তীব্র দাবদাহ ও গরমে অধিকাংশ ক্ষেতে ধানের দানা শুকিয়ে গেছে। খরার সাথে পাল্লা দিয়ে ক্ষেতে বেড়েছে পোকার আক্রমণ।
কৃষকরা বলছে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে আকাশে কোনো প্রকার বৃষ্টি নেই তাই ফসলের অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। পুরো এপ্রিল মাস জেলায় বৃষ্টির দেখা মেলেনি এক ফোটাও। মে মাসে যে বৃষ্টি হয়েছে তাও পরিমাণ খুব অল্প। এদিকে অব্যাহত লোডশেডিং এর কারণে ক্ষেতে সেচ দিতে পারছেন না বলে দাবি কৃষকদের।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষককে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষি বিভাগের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতলুবুর রহমান বলেন, বৃষ্টি না হওয়ার কারণে কৃষকরা সম্পূর্ণ সেচের ওপর নির্ভরশীল করতে হচ্ছে এই বোরো মৌসুমে।
‘তবে বিদ্যুতের যে স্বাভাবিক সরবাহরহ যদি কৃষকরা পায় তাহলে ধানগুলো কৃষকরা সুন্দরভাবে ঘড়ে তুলতে পারবে।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘এই তাপদাহে হালকা সেচ দিয়ে মাটি ভিজে রাখতে হবে। যাতে করে ফসলগুলো রক্ষা করা যায়। কিন্তু অনেকে ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় আগে-ভাগেই ক্ষেত থেকে অপরিপক্ক ধান কেটে ঘরে তুলছেন।’








