দারুণ শুরুর পর শেষ বিকেলে অস্বস্তিতে মাহমুদউল্লাহরা

প্রথম সেশনটা ছিল সোনায় মোড়ানো। মাঝের সেশনও ছিল হাতেই। শেষ বিকেলে খানিকটা ছন্দপতন। সবমিলিয়ে বিসিএলের ফাইনালে ইস্ট জোনের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে লড়াইয়ের মতো পুঁজিই জমাচ্ছে সাউথ জোন।
প্রথমবারের মতো বিসিএলের ফাইনাল হচ্ছে পাঁচদিনের। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শনিবার শুরুতে ব্যাটে নেমে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান তুলে দিন শেষ করেছে সাউথ জোন। ৮ রান করা ফরহাদ রেজাকে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের শুরু করবেন ৩৭ রানে অপরাজিত শামসুর রহমান শুভ।
দিনের শুরুতে টস জিতে সাউথ অধিনায়ক আব্দুর রাজ্জাকের হাতে ব্যাট ধরিয়ে দেন ইস্টের অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। জহুর আহমেদের উইকেটে খানিকটা সবুজ ঘাস থাকায় পেসারদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইমরুল। প্রথম সেশনে তাকে ভুল প্রমাণ করে দেন প্রতিপক্ষের দুই ওপেনার ফজলে মাহমুদ রাব্বী ও এনামুল হক বিজয়।
প্রথম সেশনে ইস্টের বোলারদের কোনো সুযোগই দেননি রাব্বী ও এনামুল। ২৭ ওভারে ৮২ রানে অবিচ্ছিন্ন জুটি নিয়ে যান মধ্যাহ্নভোজে।
বিরতি থেকে ফিরে রাব্বী-এনামুল দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। টেস্ট মেজাজে খেলে যেভাবে এগোচ্ছিলেন, সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল দুজনেরই। ৪৩তম ওভারে এসে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে ভাঙে তাদের ১৩৬ রানের জুটি। ১৩১ বল খেলে রানআউট হয়ে ৭৬ করে সাজঘরে ফিরে যান বিজয়।
দ্বিতীয় সেশনে ইস্টকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন স্পিনার সাকলায়েন সজীব। তার বলে ইমরুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৪ রান দূরে থাকা রাব্বী। ১৫৫ বলে ৮৬ রান করা রাব্বী ফিরতেই চা পানের বিরতি।
শেষ সেশনে সাউথের ব্যাটিংয়ে ছন্দপতন। শেষ ৩৪ ওভারে ১১৭ রান তুললেও দলটি হারিয়েছে আল-আমিন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসানের উইকেট।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিশ্রাম পাওয়া মাহমুদউল্লাহ এ ম্যাচে আবু হায়দার রনির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মাত্র ১ করে। আল-আমিন ও নুরুল হাসানকে ফিরিয়ে ইস্টের সেরা বোলার পেসার রুয়েল মিয়া।






