ভারতের রান পাহাড়ের সামনে দারুণ লড়াই করেও ১৫ রানে পরাজিত হলো ইংল্যান্ড। এয়ুইন মরগানের দৃষ্টিনন্দন শতকের সাথে ৩টি হাফসেঞ্চুরির পরেও ৩৮২ রানের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ অতিথিরা। মরগান ৮১ বলে ১০২ রান করে রান আউটের শিকার হন। জ্যাসোন রয় ৮২ রান, জো রুট ৫৪ রান ও মইন আলী ৫৫ রান করেন।
ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনি ও যুবরাজ সিংয়ের জোড়া শতকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রানের পাহাড় গড়ে ভারত। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাড়ায় ৬ উইকেটে ৩৮১ রান। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৬৬ রান করে ইংল্যান্ড।
রান বৃষ্টির এই ম্যাচে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়াও জসপ্রিত বুমরাহ ২টি এবং ভুবনেশ্বর কুমার ও রবিন্দ্র জাদেজা ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারত বিশাল স্কোর গড়েন। তিন বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের পর দুরন্ত সেঞ্চুরি পান যুবরাজ। ছয় বছর পর পেলেন শতরান। শেষ শত রান ২০১১ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০১৩ সালের পর শতরান করলেন ধোনিও।
১২৭ বলে ১৫০ রান করেন যুবরাজ। ২১ টা চার মেরেছেন, ছয়ের সংখ্যা ৩ টি। ধোনি করেন ১২২ বলে ১৩৪। ১০ টি চারের পাশাপাশি ৬টি ছয় মেরেছেন ধোনি। ধোনি এবং যুবরাজ চতুর্থ উইকেটে ২৫৬ রান যোগ করেছেন। ওয়ানেড ক্রিকেটে চতুর্থ উইকেট জুটিতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। এক নম্বরে রয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করা মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন ও অজয় জাদেজার করা ২৭৫ রান।
ইনিংসের শেষ দিকে কেদার যাদব ১০ বলে ২২, হার্দিক পাণ্ডিয়া ৯ বলে ১৯* এবং রবীন্দ্র জাদেজা ৮ বলে ১৬* রান করেন।
ইনিংসের শুরুতে লোকেশ রাহুল (৫), শিখর ধাওয়ান (১১) এবং বিরাট কোহলি (১১) ফিরে যান। তিনজনকেই ফেরান ক্রিস ওকস।
ক্রিস ওকস শুরুতে ৩ ওভার মেডেন নিলেও শেষ পর্যন্ত ১০ ওভারে দেন ৬০ রান। উইকেট নেন ৪ টি। লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট ২ উইকেট নিলেও ১০ ওভারে দেন ৯১ রান। স্টোকস ৯ ওভারে ৭৯, জ্যাক বল ১০ ওভারে দেন ৮০ রান।
পাঁচ ম্যাচের সিরিজের ২-০তে এগিয়ে গেলো ভারত। প্রথম ওয়ানডেতে বিরাট কোহলি ও কেদার যাদবের জোড়া শতকে ইংল্যান্ডের করা সাড়ে তিনশ রানের স্কোর টপকে ছিল স্বাগতিকরা।








