দারিদ্র দূরীকরণে তরুণ প্রজন্মের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন প্রয়োজন আর এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শারজাহ-এ ইন্টারন্যাশনাল গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন ফোরামে (আইজিসিএফ) তরুণ-যুবাদের মাঝে উদ্যোক্তা হওয়ার সংস্কৃতি লালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
“তরুণদের শুধু চাকরি প্রার্থী নয় বরং চাকরি দাতাও হতে হবে এবং স্কুল থেকেই এ বিষয়ে শেখাতে হবে, গণমাধ্যমও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। গণমানুষের কাছে এই আইডিয়া পৌঁছাতে এবং আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন আনতে গণমাধ্যম জোড়ালো ভূমিকা রাখতে পারে।” ক্যাম্পেইন মিডল ইস্টকে এমনটি জানান ইউনূস।
নোবেল জয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন প্রয়োজন। আমাদের মননে খোদাই করা হয়ে গেছে যে, সকল তরুণদের চাকরি খুঁজতে হবে বা সরকারের উচিত তাদের চাকরি দেওয়া। কিন্তু সকলেই যদি নিজ নিজ চাকরি তৈরি করে নেয়, নিজের জীবিকার ব্যবস্থা করে, তাহলেই পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটা শুরু হবে।”
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
শারজাহ এক্সপো সেন্টারে দুইদিনের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আইজিসিএফ। যোগাযোগ, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্ব নেতারা এই অনুষ্ঠানে মিলিত হয়েছেন।
প্রথম দিনের অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পরিবেশ বিষয়ক উপদেষ্টা আল গোর, উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ডন জেফরি স্যাকস, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্যাবিনেট মেম্বার ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রী নাজলা বিনতে মোহাম্মদ আল আওয়ারসহ অন্যান্যরা।







