মেহেরপুরে প্রচন্ড দাবদাহে পানের পাতা শুকিয়ে ঝরে যাচ্ছে। পাশাপাশি পান গাছে দেখা দিয়েছে পঁচন রোগের প্রাদুর্ভাব। এতে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন জেলার পান চাষীরা।
এ বছর মৌসুমের প্রথম দিকেই খরা ও অনাবৃষ্টিতে বরোজের পানে দেখা দেয় পঁচন রোগ। এতে নষ্ট হয়ে যায় জেলার ৬০ ভাগ বরোজের পান। সে অবস্থা কাটিয়ে উঠে কেবলই পান তোলা শুরু করেছিলেন চাষী। কিন্তু লাভের মুখ দেখার আগে প্রচন্ড খরায় আবারো বিপর্যয়।
মেহেরপুরের পানচাষীরা জানা, এবার পান চাষে ভালো ফলন তো নেই। তার উপর বরোজের পান মরে যাচ্ছে দাবদাহে। খরচের টাকায় ঘরে তোলা কষ্ট কর হয়ে পড়বে তাদের জন্য।
যেটুকু পান পাওয়া গেছে তার মান নিম্ন হওয়ার কারণে সেটুকুও বাজারে বিক্রি হচ্ছে না। শীতকালে পানের দাম বেশি থাকলেও এখন বিক্রি করতে হচ্ছে অনেক কম দামে। যে পান এখন বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকা পোন সেই পানই শীতে বিক্রি হবে ৮০-৮৫ টাকা।
কৃষি বিভাগ জানায়, কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে জানাচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা, আশরাফুল আলম জানান, কৃষকরা যে সমস্যায় পড়েছেন। তা থেকে উত্তরণের জন্য নমুনা গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে।







