আসন্ন ত্রিদেশীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদানের মাধ্যমে আবারো ওয়ার্ল্ড ক্লাস নিরাপত্তার সক্ষমতা প্রমাণের কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় ডিএমপি সদর দফতরে সিরিজের নিরাপত্তা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা জানান।
আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের অংশগ্রহণে ঢাকায় শুরু হবে ত্রিদেশীয় ক্রিকেট সিরিজ। সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘দেশটা আমাদের। রাষ্ট্রীয় সম্মান রক্ষার্থে পুলিশ ও বিসিবি’র সঙ্গে সমন্বয় করে সকলকে কাজ করতে হবে। বিমানবন্দর কেন্দ্রিক, খেলোয়াড়দের আবাসস্থল, খেলার ভেন্যু, প্র্যাকটিস ভেন্যু ও যাতায়াত পথের নিরাপত্তা বিধানের জন্য আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবো।’
‘হোটেলগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা, আর্চওয়ে, লাগেজ স্ক্যানারসহ মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। বহিরাগত গেস্ট প্লেয়ারদের সঙ্গে দেখা করতে তাদের হোটেলরুমে যেতে পারবে না। খেলোয়াড়দের যাতায়াত পথে নেয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন থাকবে পর্যাপ্ত রুফটপ ডিউটি ও টহল ব্যবস্থা। রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদসহ ময়লা আবর্জনা অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ যোগ করেন ডিএমপি কমিশনার।
বিসিবি’র উদ্দেশ্যে কমিশনার বলেন, ‘টিকিট ছাড়া কোন লোক যেন স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য লক্ষ্য রাখতে হবে। সিট প্ল্যানিং অনুযায়ী দর্শকদের নিজ নিজ আসনে বসতে হবে। টিকিট কালবাজারী ঠেকাতে প্রস্তুত থাকবে ডিবি ও পোশাকধারী পুলিশ।’
খেলা ও অনুশীলনের পূর্বে এসবি ও র্যাব দিয়ে ভেন্যু সুইপিং করা হবে বলে জানান কমিশনার। অগ্নি নির্বাপণের জন্য হোটেল ও ভেন্যুতে রাখা হবে পর্যাপ্ত ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা। ভেন্যু অপারেশন সেন্টার (ভিওসি) থেকে সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
যার যা দায়িত্ব সেটা সঠিকভাবে পালন করলে একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সিরিজ উপহার দেয়া সম্ভব বলে জানান আছাদুজ্জামান মিয়া, ‘আমরা আরও একবার সমন্বিত নিরাপত্তা প্রদান করে আমাদের ওয়ার্ল্ড ক্লাস নিরাপত্তা দেয়ার সক্ষমতার প্রমাণ দিবো।’
সভায় ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিসিবি, গোয়েন্দা সংস্থা, ডিসিসি, ফায়ার সার্ভিস, সরকারী বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।








