বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটির বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় দিনের খেলা বেলা সোয়া দুইটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয়নি। এদিন বিকাল ৬টা পর্যন্ত খেলা হবে ৪৫ ওভারের।
বৃষ্টিতে দ্বিতীয় দিনের খেলা সম্পূর্ণ ভেসে যাওয়ার পর অবশেষে অলরাউন্ডার নাসির হোসেন সম্মুখিন হয়েছেন গুরু দায়িত্ব পালনের। দুই বোলার মুস্তাফিজুর রহমান এবং জুবায়ের হোসেনকে নিয়ে দলীয় স্কোর বড় করার লক্ষ্যে টাইগাররা।
প্রথম দিন নির্বিঘ্নভাবে ৮৮.১ ওভার খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিলো আট উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান। দিনের খেলা শেষে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন নাসির হোসেন। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনও টানা বৃষ্টির যন্ত্রণা শেষে অবশেষে মাঠে নেমেছে দুদল।
প্রথম দিনের ৮৮.১ ওভারের খেলায় মুশফিক, মমিনুল, সাকিবদের দৃড় ব্যাটিংয়ের পরও শেষ দিকের ধ্বসে আধিপত্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। প্রথম দিনের শুরুতেই তামিমকে হারানোর সাময়িক অস্বস্তি দুর হয়ে যায় পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে।
মমিনুর হক ও ইমরুল কায়েসের ৬৯ রানের জুটি এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের ৯৪ রানের জুটি বাংলাদেশকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যায়।
তবে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে দুর্দান্ত পারফর্ম করতে থাকা টাইগারদের ব্যাটিংয়ে ধ্বস নামে দিনের শেষে এসে। দলীয় স্কোরবোর্ডে শেষ ২১ রান যোগ করতে গিয়েই বাংলাদেশ হারায় মূল্যবান চারটি উইকেট।
একে চলে যান স্বরুপে ফিরে অর্ধশতক হাঁকানো মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, বিশ্বসেরা অরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং প্রথম টেস্টে ব্যাটিংয়ে নিজের সামর্থের পরিচয় দিয়ে সাময়িক ঝড় বইয়ে দেয়া মোহাম্মদ শহীদ।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রানের ইনিংসটি খেলেন মুশফিক। এছাড়াও মমিনুল হক ৪০, সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ ৩৫ এবং ইমরুল কায়েস ৩০ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলেন।
বিশ্বসেরা টেস্ট বোলার ডেল স্টেইন এবং জেপি ডুমিনি তিনটি করে উইকেট লাভ করেন। ইনিংসের প্রথম শিকার তামিমকে ফিরিয়েই চারশোতম উইকেটের অনন্য অর্জনে পৌছান গতির ঝড় তোল স্টেইন। এছাড়াও ডিন এলগার ও মরনে মরকেল একটি করে উইকেট পান।







