১৫ জুলাইয়ের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল ও মন্ত্রিপরিষদের
সাথে বৈঠক শেষে দেশে ৩ মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।
একই সঙ্গে আঙ্কারায় প্রেসিডেন্সিয়াল
প্যালেসে ‘সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে থাকা সব ভাইরাস’ নিশ্চিহ্নের প্রতিজ্ঞা
করেছেন তিনি।
শুক্রবারের পর এখন পর্যন্ত অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার সময়টিকে তাদের আরও বেশি সময় আটক রাখার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‘ভাইরাস নিশ্চিহ্ন’ করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সর্বশেষ ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষা কর্মকর্তাকে বরখাস্তের পর বন্ধ করে দেয়া হয় ৬শ’ স্কুল। আরও কয়েক হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
ছাঁটাইকৃতরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লা গুলেনের অনুসারী বলে দাবি করছে তুর্কি সরকার।
এসব পদক্ষেপ কোনোভাবেই গণতন্ত্র, আইন ও স্বাধীনতা বিরোধী নয় বলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার সময় দাবি করেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।
সরকারের ভাষ্যমতে, অভ্যুত্থান ঠেকানোর প্রচেষ্টায় কমপক্ষে ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিহতদের ‘শহীদ’ উল্লেখ করে তাদের সম্মান জানান প্রেসিডেন্ট।
তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান। এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই ও বরখাস্ত করা হয়েছে।
অভ্যুত্থান চেষ্টার পর উইকিলিকস দেশটির বিভিন্ন গোপন রাজনৈতিক তথ্য, নথি এবং ইমেইল প্রকাশের ঘোষণার দেয়। এর পরপরই তুরস্কে উইকিলিকস বন্ধ করে দেয়া দেশটির সরকার।







