ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিই তিস্তা চুক্তির অন্যতম বাধা উল্লেখ করে নদী বিশেষজ্ঞ ও কূটনৈতিকরা বলছেন, এ কারণে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে দেশের জনজীবন ও অর্থনীতিতে।
পশ্চিমবঙ্গকে অগ্রাহ্য করে কেন্দ্রীয় সরকার এই চুক্তি করবে না বলেও স্পষ্ট বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে স্থল ও সমুদ্র সীমা নির্ধারণ, ছিটমহলসহ নানা সমস্যার সমাধান হলেও দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে তিস্তা চুক্তি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী সরকারের মেয়াদেই এই চুক্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও দুই প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের শেষ সময়েও এই বিষয়ে কোন অগ্রগতি নেই।
এবার প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফরে আবারও উঠে আসে তিস্তা চুক্তি। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিস্তার বিকল্প হিসেবে মমতা ব্যানার্জির অন্য তিনটি নদীর জল ভাগাভাগির প্রস্তাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সব নদীর আলাদা অববাহিকা থাকায় বিকল্প প্রস্তাব কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভারতকে দেয়া সুযোগ-সুবিধাগুলো সামনে এনে কূটনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তিস্তা চুক্তি আদায় করে নিতে হবে।
তারা বলছেন, ভারতের সাথে যৌথভাবে আরও ৫৪টি নদীতেও বাংলাদেশের অবস্থান ভাটিতে। তাই তিস্তার দ্রুত সমাধান না হলে অভিন্ন নদীর জলের নিয়ন্ত্রণও থাকবে ভারতের কাছে।
বিস্তারিত দেখুন সামিয়া রহমান প্রিমা’র ভিডিও রিপোর্টে




![{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}](https://www.channelionline.com/wp-content/uploads/2026/04/Picsart_26-04-19_21-03-36-681-120x86.jpg)


