মধ্যরাতে সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান, অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশীদ ও নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স ম কাইয়ূমকে প্রত্যাহারসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছেন ঢাকা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শহীদ আ. ন. ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে ওই সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, এসব দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে দাবিগুলো তুলে ধরেন ঢাকা কলেজের স্নাতকোত্তরের পর্যায়ে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সুজয় বালা ।
ছাত্রদের ১০ দফা দাবি
১. এই ন্যক্কারজনক হামলার উসকানিদাতা, ইন্ধনদাতা ও হামলাকারীদের তদন্ত-সাপেক্ষে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সব দায়ভার নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিতে হবে।
৩. হকারদের হামলায় নিহত পথচারী নাহিদ হোসেনের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৪. রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সে হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
৫. দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডিসি, এডিসি ও নিউ মার্কেট থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং পুলিশ প্রশাসনকে কলেজ প্রশাসনের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
৬. প্রতিটি মার্কেট ও দোকানে সিসিটিভি স্থাপন করতে হবে।
৭. প্রতিটি মার্কেটে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন ও তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করতে হবে।
৮. ফুটপাত দখলমুক্ত, অবৈধ কার পার্কিং উচ্ছেদ ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
৯. ক্রেতা হয়রানি, নারীদের যৌন হয়রানি বন্ধে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করে ক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
১০. চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট ও নিউ সুপার মার্কেটে ঢাকা কলেজের সম্পদ লিজ বাতিল করে ফিরিয়ে দিতে হবে।
গত সোম ও মঙ্গলবার নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের দুইদিনের সংঘর্ষে নাহিদ হোসেন নামে একজন পথচারী নিহত হয়। আহত হয় শতাধিক মানুষ।







