নোয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতাসহ তিন খুন মামলার আসামীর বাড়িঘরে বুধবার রাতে অগ্নিসংযোগ করেছে নিহতদের স্বজন ও বিক্ষুদ্ধ জনতা।
এ সময় একলাশপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কুদরত উল্লার অনন্তপুর গ্রামের দুটি ও তার এক আত্মীয় বাবুলের একটি টিলের ঘর আসবাবপত্রসহ পুড়ে যায়।
নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক হুমায়ুন কবির জানান, খবর পেয়ে মাইজদী ফায়ার ষ্টেশন থেকে দমকলের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়া পথে বিক্ষুদ্ধদের বাধায় পড়ে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে যেতে সক্ষম হন তারা।
এর আগেই কুদরত উল্লার দোকানে থাকা দুটি মোটরসাইকেল আগুনে জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষুদ্ধ লোকজন।
বেগমগঞ্জ থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, কথা কাটাকাটির জেরে সোমবার রাতে পুরাতন কলেজ এলাকায় রাজিব, ওয়াসিম ও ইয়াসিন তিন বন্ধুকে গুলি করে আওয়ামী লীগ নেতা কুদরত উল্লার ছেলে সাজু।
গুরুতর অবস্থায় তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। ওয়াসিমের মঙ্গলবার ভোররাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইয়াসিন।
এ ব্যাপারে নিহত রাজিবের মা শামছুন্নাহার বাদী হয়ে সাজু, তার পিতা কুদরত উল্লা, দুই বোন মুন্নি ও ফরজানাসহ এজাহারে ৮ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরো ৭-৮ জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
সাজুর দুই বোন মুন্নি ও ফারজানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।






