শুরুর ধাক্কাটা সামলে যখনই বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ, তখনই তালগোল পাকিয়ে ফেললেন দুই ভরসা মুশফিক ও সাকিব। তার কিছু আগে তামিম ফিরে যাওয়ায় চাপেই পড়েছে টাইগাররা।
মুশফিককে নিয়ে ১২৩ রান যোগ করে পথ দেখানোর কাজটা ভালোভাবেই সেরে গেছেন তামিম। ৭০-এর ফিরেছেন এই বাঁহাতি।
তৃতীয় উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে সংগ্রহ দেড়শ পেরিয়ে নিয়েছিলেন তামিম। তার ফেরার পর সাজঘরে হাঁটা দেন সেঞ্চুরিয়ান সাকিব (১৫)। মুশফিক (৬১) দ্রুত দুই সিনিয়রকে অনুসরণ করলে বিপদ বাড়ে।
গত ম্যাচে শতক করা মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে এখন তরুণ মোসাদ্দেক ভরসা হয়ে আছেন।
কেদার জাদভের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরা তামিমের ৮২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও একটি ছক্কা।
শুরুতে ব্যাটিং উইকেটে বাংলাদেশের স্কোরটা আরও ভালো হতে পারতো। কিন্তু ৩১ রানের মধ্যে সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমানকে হারিয়ে কিছুটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ।
প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারের (০) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অফস্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল উইকেটে টেনে আনেন এই বাঁহাতি। তিনে নেমে সাব্বির রহমান স্বভাবসুলভ মেজাজেই ব্যাট চালাচ্ছিলেন। বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত শটে আশা দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২১ বলে চার বাউন্ডারিতে ১৯-এর বেশি দিতে পারেননি। পয়েন্ট ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে এই ডানহাতি। দুটি উইকেটই ভুবনেশ্বর কুমারের ঝুলিতে।










