শুরুতে ঝড় তুলতে না পারলেও আগের ১১, ৩৯, ১১এর পর তামিম গতরাতে খেলেছেন ৩৬ রানের ইনিংস। আর পিএসএলে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া সাব্বির খুব প্রয়োজনের সময় দাঁড়িয়ে যেতে না পারলেও রেখেছেন ১১ রানের অবদান। পেশোয়ার জালমির অবশ্য জয় পেতে সমস্যা হয়নি। অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির বীরত্বে শেষের হাসি জালমিরই।
শারজায় কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সকে এদিন ৫ উইকেটে হারিয়েছে পেশোয়ার জালমি। শুরুতে ব্যাটে এসে ৮ উইকেটে ১৪১ রান তোলে কোয়েটা। জবাবে দুই বল হাতে রেখে জয়ে নোঙর ফেলে জালমি।
ম্যাচে ওপেন করতে এসে ৪৭ রানের ইনিংস দেন শেন ওয়াটসন। এক আর ও ৫ ছক্কায়। মিডলঅর্ডারে ২৫ বলে ৩৭ করেন রিলি রুশো, দুটি করে চার-ছয়ে। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় কোয়েটা।
পেশোয়ারের হয়ে উমাইদ আসিফ, ওয়াহাব রিয়াজ ও স্যামি নেন ২টি করে উইকেট।
জবাব দিতে নেমে দ্রুতই কামরান আকমলকে (১০) হারায় জালমি। ১৪ বলে ২৩ করে ফেরেন ডোয়াইন স্মিথও। তামিম ধীরেসুস্থে খেলে ৩৮ বলে ৩৬ রানের অবদান রাখেন, তিন চারের সঙ্গে এক ছক্কার ইনিংস তার।
মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে জুটিতে ৫৪ রান এনে ম্যাচ জয়ের ভিত গড়েন তামিম। হাফিজ ২৯ রানে ফেরার পর রানআউট হন টাইগার তারকা। পরে সাব্বির রহমানের নায়ক হওয়ার সুযোগ ছিল। সেটি হাতছাড়া করে ১১ রানে সাজঘরে হাঁটা দেন টাইগার তারকা, ১১ বলের ইনিংসে একটি চার। থেমেছেন রাহাত আলীর ফুলটস বলে বাউন্ডারির কাছে ক্যাচ দিয়ে।
তখন চোটে খোঁড়াতে খোঁড়াতে ক্রিজে আসেন স্যামি। ছক্কায় শুরু করেন। শেষ ওভারে ১০ রান দরকারের সময় স্যামির আরেকটি ছক্কা। শেষে চার মেরে জয়ে পা রাখা। ৪ বলে ১৬ রানের টর্নেডো, শতরানের সমান কার্যকরী হয়ে ওঠে স্যামির ইনিংস।








