চট্টগ্রাম থেকে: ১৪ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ার, নামের পাশে সেঞ্চুরিও ১৪টি। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই সেঞ্চুরি উদযাপন করেছেন ৫ বার। অথচ নিজ শহর চট্টগ্রামে একবারও আসেনি ওরকম মুহূর্ত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বুধবার শুরু হতে চলা ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচ বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সাগরিকার বুকে অপূর্ণতা ঘোচানোর দারুণ সুযোগ তামিম ইকবালের সামনে।
সেঞ্চুরির দিক থেকে বাংলাদেশের অন্যকেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ সেঞ্চুরি সাকিব আল হাসানের। রান-সেঞ্চুরি দুদিক থেকেই দেশের এক নম্বর ব্যাটার বলে চট্টলার মানুষের তামিমকে ঘিরে প্রত্যাশা বেশি।
শুধু তামিমের খেলা দেখতে গ্যালারিতে আসা দর্শকও পাওয়া যায় বন্দরনগরীতে। তাদের জন্য এ ওপেনারেরও থাকে সর্বোচ্চ নিবেদনের চেষ্টা। কিছুদিন আগে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে বিস্ফোরক ইনিংস খেলে তুলেছেন সেঞ্চুরি। তখন গ্যালারি ছিল ফাঁকা। আফগানিস্তান সিরিজে মাঠে ফিরছে দর্শক।
করোনাকালে সীমিত দর্শক (৪ হাজার) মাঠে প্রবেশ করতে পারলেও ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমের ভালো করেই জানা টাইগারভক্তরা কখনো কখনো দলের দ্বাদশ খেলোয়াড়ের ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ দল তো বটেই, তামিমের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে থাকার লোকের অভাব নেই চট্টগ্রামে। তাদের জন্য তামিমের চেষ্টা থাকবে সেরাটা দিয়ে খেলার, ‘চট্টগ্রামের জন্য আমার হৃদয়ে বিশেষ একটা জায়গা আছে। দর্শক থাকলে ভালো। অনেকদিন পর দেশের দর্শকদের সামনে খেলব। দর্শক কখনও কখনও দ্বাদশ খেলোয়াড় হয়ে ওঠে। আমরা ভালো করি বা খারাপ করি, তারা মাঠে থাকলে সমর্থনের জন্য সর্বোচ্চটুকু করে যান। আমি আমার সেরাটা চেষ্টা করব।’
‘বিপিএল ভালো গেছে মানে এই না এই সিরিজও অনেক ভালো খেলব। প্রক্রিয়া ঠিক রেখে চেষ্টা করব, দেখা যাক ফলাফল কী হয়।’
চট্টগ্রামে তামিম খেলেছেন ১৫ ওয়ানডে। ৪৩.১৫ গড়ে করেছেন ৫৬১ রান। যা ভেন্যুটির সর্বোচ্চ। ১৫ ইনিংসে ৫ বার পেয়েছেন ফিফটি। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯৫ রানে একবার আউট হয়েছেন। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে জহুর আহমেদে তামিমের এটিই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। সেটিকে ছাড়িয়ে এবার তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।







