শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তোলার পথে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডে তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম। সাদা পোশাকে চার হাজারের উপর রান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানেরই।
বাঁহাতি ওপেনার তামিম ৬০ টেস্টে ৪,৪০৫ রান করেছেন এই ম্যাচের প্রথম ইনিংস পর্যন্ত। আর প্রথম ইনিংস পর্যন্ত ৩২ বছর বয়সী মুশফিকের ৭০ টেস্টে ৪,৪১৩ রান হল।
সোমবার ৩২ রান নিয়ে দিন শুরু করা মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মুশফিক দিনের শেষ সেশনের শেষ ঘণ্টায় ছুঁয়েছেন মাইলফলক। তারপরই ইনিংস ঘোষণা করে দেয় বাংলাদেশ। মুশিকে ২০৩ রানে রেখে সাজঘরে ডেকে নেন মুমিনুল।
মুশফিকের কীর্তির দিনে মিরপুর টেস্টে দারুণ অবস্থানে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে করা ২৬৫ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৫৬০ তুলে ইনিংস ছেড়েছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রানের লিড ঠেলে দিয়েছে সফরকারীদের সামনে। পরে প্রথম ওভারেই তুলে নিয়েছে প্রতিপক্ষের ২ উইকেট।
মুশফিক ডাবল ছুঁয়েছেন ৩১৫ বলে। ২৮টি চারের মার ইনিংসে। লাঞ্চ থেকে ফিরে তুলেছিলেন সেঞ্চুরি। এইন্সলের বল বাউন্ডারিতে ঠেলে শতক তুলেছিলেন ১৮ চারে ১৬০ বলে, একই বোলারকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দ্বিশতক ছুঁয়েছেন।
দিনের আরেক সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হকের (১৩২) সঙ্গে ২২২ রানের জুটি গড়ার পর লিটন দাসকে (৫৩) নিয়ে ১১১ রানের কার্যকরী আরেকটি জুটি এনেছেন মুশি।
মুশফিক প্রথম ডাবলের দেখা পেয়েছিলেন শ্রীলঙ্কায়। গল টেস্টে ২০১৩ সালে ফিরেছিলেন ঠিক ২০০ করে। পরে ২০১৮ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই মিরপুরে অপরাজিত ২১৯ রানের ইনিংস উপহার দেন।
সোমবার মুমিনুলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে যৌথ প্রযোজনায় ২২৪ রান যোগ করেছেন মুশফিক। পথে জুটির রেকর্ডে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসকে ছাড়িয়ে গেছেন দুজনে।
টেস্টে দুটি করে দুইশ রানের জুটি ছিল তামিম-ইমরুল ও মুমিনুল-মুশফিকের। বাকি দুজনকে ছাড়িয়ে গেছেন মুমিনুল ও মুশফিক। তাদের পাশে এখন তিনটি করে দুইশ রানের জুটি। আর সাদা পোশাকে দশমবারের মতো দুইশ বা তারচেয়ে বড় জুটি দেখল বাংলাদেশ।







