জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংসে ৮ উইকেট নেয়ার কীর্তি ছিল তাইজুল ইসলামের। সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোনো টেস্টে ১০ উইকেট নিলেন তাইজুল। সিকান্দার রাজাকে বোল্ড করে তার নতুন কীর্তি গড়ার সঙ্গে ম্যাচে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশও।
আগের ওভারের শেষ দুই বলে উইকেট নিয়েছিলেন তাইজুল। পরের ওভারের প্রথম বল ডিফেন্স করে বাঁহাতি স্পিনারের হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেন রাজা। এক বল পরেই তার উইকেট তুলে নেন টাইগার স্পিনার। বোল্ড করে সাজঘরের পথ দেখান রাজাকে।
১৩০ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারালেও সফরকারীদের লিড হয়ে গেছে ২৯৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৪৩ রানে। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে করে ২৮৩ রান।
প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন। পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন। শন উইলিয়ামসকে বোল্ড করার পর পিটার মুরকেও ফেরান খাতা খোলার আগে। হ্যামিল্টন মাসাকাদজার পর উইকেট বিলিয়ে দেন উইলিয়ামসও। তাইজুল ইসলামকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ফেরেন বোল্ড হয়ে।
নিজের অভিষেক টেস্ট ইনিংসে তাইজুল নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে। পরে আরও দুবার পান ৫ উইকেটের দেখা। তিন বছর ধরে ৫ উইকেটের দেখা আর মিলছিল না। গত ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ সিরিজে তিনবার পেয়েছিলেন ৪টি করে উইকেট।
এদিন ক্রিজে সেট হয়ে গিয়েছিলেন মাসাকাদজা। কিন্তু শেষঅবধি উইকেট উপহার দিয়ে ফেরেন জিস্বাবুয়ে অধিনায়ক। মেহেদী হাসান মিরাজকে রিভার্স সুইপ করতে যান। লাইন মিস করেন পুরোপুরি। বল লাগে পায়ে, এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে সাড়া দিতে খুব সময় নেননি আম্পায়ার। ৪৮ রান করেন মাসাকাদজা।
সোমবার সকাল সকালই জিম্বাবুয়ের দুই উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশকে শুরুর উইকেট এনে দেন মিরাজ। জিম্বাবুয়ের দলীয় স্কোর যখন ১৯, তখন ব্রায়ান চারিকে বোল্ড করেন ডানহাতি এ অফস্পিনার। ধীরস্থির ব্যাটিং করা চারি ৩৩ বলে করতে পারেন ৪ রান।
তবে ক্রিজে নেমেই রান বাড়ানোর দিকে নজর দেন ব্রেন্ডন টেলর। বেশ চালিয়ে খেলছিলেন। ২৫ বলে ২৪ রান করে টেলর যখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন তখনই তাকে থামান তাইজুল। দলীয় ৪৭ রানের সময় ইমরুল কায়েসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জিম্বাবুয়ের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান।







