নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও দলের লড়াকু মনোভাবের জন্য গর্বিত অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনে। প্রবল শক্তিশালীদের বিপক্ষে শিষ্যরা যে পারফরম্যান্স করেছে তাতে এই অ্যাটলেটিকো অচিরেই রিয়াল-বার্সেলোনার সমকক্ষ হবে বলেও বিশ্বাস এই আর্জেন্টাইনের।
সিমিওনের গর্ব আর হতাশার রাতে বেনজামা বন্দনায় মজেছেন রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান। ম্যাচের শুরুতে ২ গোল খেয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া রিয়ালকে কক্ষপথে তো ফিরিয়েছেন করিম বেনজামাই। তার অসাধারণ এক ড্রিবলিং থেকেই মহামূল্যবান অ্যাওয়ে গোলের দেখা পায় লস ব্লাঙ্কোসরা।
প্রথম লেগে ৩ গোলে পিছিয়ে থেকে নিজের মাঠে খেলতে নামে অ্যাটলেটিকো। ম্যাচের ১৬ মিনিট দুই গোল দিয়ে দারুণভাবে ফিরেছিল তারা। কিন্তু ইসকোর গোলের পর ২-১ ব্যবধানে জিতলেও দুই লেগ মিলিয়ে ফাইনালে চলে যায় রিয়াল।
দলের খেলোয়াড়দের কথা উল্লেখ করে সিমিওনে বলেন, বিস্ময়কর একটা ম্যাচ ছিল। আমাদের দলের অনেক খেলোয়াড়ই গ্রেট পারফর্ম করেছেন।
অধিনায়ক গাবি ও ডিফেন্সের অন্যতম স্তম্ভ ডিয়েগো গডিনের প্রশংসা করে অ্যাটলেটিকো কোচ কিছুটা আফসোসের সুরে বলেন, এটা লজ্জার যে গাবি এবং গডিনের মতো কোন খেলোয়াড় আমরা পাইনি, যারা ক্লাবের জন্য জীবন দিতে পারে।
রিয়াল-বার্সার প্রসঙ্গ টেনে সিমিওনে বলেন, এটি একটি ছোট ধাপের মত মনে হয়, কিন্তু এটাই বিশাল পদক্ষেপ ছিল। আশা করি আমরা একদিন তাদের (রিয়াল-বার্সা) সমকক্ষ হব।
অন্যদিকে, ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর রিয়াল কোচ মজেছেন স্বদেশী তারকা বেনজামা বন্দনায়। বেনজামার ড্রিবলিং নিয়ে ফরাসি কোচ বলেন, আমি জানি না তখন করিমকে কতজন খেলোয়াড় আক্রমণ করেছিল। আমি এটাও জানি না, সে এত জনকে কিভাবে কাটাল।
জিদান বলেন, ফুটবল শুধু এটা বিচার করে না যে কে গোল করল। করিম যেটা করেছে সেটাও করে।
শুরুতে দুই গোল হজম করলেও চিন্তিত ছিলেন না দাবি করে রিয়াল কোচ জানিয়েছেন, তারা ফাইনালে উঠেছেন এখন সেটার জন্য প্রস্তুতি নেবেন এবং এ পর্যন্ত যা অর্জন করেছেন তার জন্য তার খুশি।







