কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর খুনিদের সনাক্ত করতে না পারলেও তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আছে বলে দাবি করেছে সিআইডি। হত্যাকাণ্ডের আগে পরে ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান জানা গেছে এমন অন্তত ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন সিআইডি কর্মকর্তারা।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের পর দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে অভিযুক্ত করেন তার বাবা।
ময়না তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, ধর্ষণের পর তনুকে হত্যা করা হয়। ২০ মার্চ রাতে তনুর লাশ উদ্ধারের পর থেকেই মামলার তদন্ত করছে সিআইডি। লাশ উদ্ধারের সময় তিন সন্দেহভাজনকে দৌড়ে পালাতে দেখেছিলেন বলে তনুর বাবা যে দাবি করেছেন তাদের চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ওইদিন ও রাতে টহলের দায়িত্বে থাকাদেরও। হত্যাকাণ্ডের ৭ মাস পর তদন্ত নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার।
তদন্ত নিয়ে বার বার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সোহাগীর পরিবার। সে ব্যপারে কথা বলেন তদন্ত সমন্বয়ক।
তনুর লাশ উদ্ধারের কিছু পরে কার নির্দেশে ওই স্থান আলোকিত করা হয়েছিলো তাকে খুঁজছে সিআইডি। বদলি করা হয়েছে তদন্ত তদারককারী বিশেষ পুলিশ সুপার ডক্টর নাজমুল করিম খানকে।







