কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ আবার তদন্তের
জন্য বুধবার সকালে কবর থেকে তোলা হবে। কুমিল্লার প্রথম শ্রেণির
ম্যাজিস্ট্রেট ও আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন নাহারের
নেতৃত্বে সিআইডি ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষজ্ঞ দলের উপস্থিতিতে জেলার
মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের কবর থেকে তনুর মরদেহ তোলা হবে।
স্পর্শকাতর এ মামলাটি মঙ্গলবার সিআইডিতে হস্তান্তর করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এরই মধ্যে সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছে।
এ হত্যাকাণ্ডের নয় দিনেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার রহস্য উদ্ধার করতে না পারায় কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এর বিচার দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অব্যাহত রয়েছে ।
সোমবার কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম কলেজ ছাত্রী তনুর মরদেহে পুনরায় ময়না তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পরেই নতুন করে ময়নাতদন্তের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
প্রাথমিক সুরতহাল ও লাশের ময়নাতদন্তে কিছু অসঙ্গতি থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের কথা উল্লেখ করে মরদেহে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করে ডিবি পুলিশ।
এদিকে তনু হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে তার সহপাঠী শিক্ষার্থীরা কলেজের শহীদ মিনারের ‘তনু মঞ্চে’ বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ, থিয়েটারের নাট্যকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা তনু মঞ্চে (কলেজের শহীদ মিনার) মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান নেন।
পরে বেলা ১১টায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ অধ্যক্ষ আবদুর রশিদের উদ্যোগে তনুর রুহের মাগফিরাতের জন্য মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এসময় কলেজ অধ্যক্ষ আবদুর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) আলী আশরাফ ভূইয়া ও উপাধ্যক্ষ আবু তাহের প্রমুখ।







