চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ঢাবির ঘ ইউনিটের প্রশ্ন প্রণয়ন ও ফাঁসের আদ্যোপান্ত

সাখাওয়াত আল আমিনসাখাওয়াত আল আমিন
১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ ২২, অক্টোবর ২০১৭
শিক্ষা
A A
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ফাইল ছবি

কয়েক স্তরের নিরাপত্তা এবং তদারকির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন হলেও সম্প্রতি পরীক্ষার আগের রাতেই ফাঁস হয়ে যায় চলতি শিক্ষাবর্ষের ঘ ইউনিটের প্রশ্নপত্র। প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণসহ চ্যানেল আই অনলাইনসহ শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও কর্তৃপক্ষ এখনও তা অস্বীকার করে চলেছে। শুধু তাই নয় রোববার (২২ অক্টোবর) পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য এবং ঘ ইউনিটের পরীক্ষার সমন্বয়কারী বলছেন, প্রশ্ন ফাঁসের দাবি অসত্য ও বিশ্বাসযোগ্য নয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করার জন্য ‘অশুভ মহলের ষড়যন্ত্র’।

শনিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদের প্রতিবাদও পাঠিয়য়েছেন ঘ ইউনিটের মূল সমন্বয়ক এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। আর পরীক্ষা বাতিল করে আবার পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যা অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান।

বামে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্ন, ডানে মূল প্রশ্ন, যাদের মধ্যে হুবহু মিল পাওয়া যায়

ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং নিরাপত্তা নিয়ে।

যেভাবে হয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত পাঁচটি ইউনিটের অধীনে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এগুলো হচ্ছে বিজ্ঞান অনুষদের অধীন ক ইউনিট, কলা অনুষদের অধীন খ ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীন গ ইউনিট, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন ঘ ইউনিট এবং চারুকলা অনুষদের অধীন চ ইউনিট।

নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী থাকেন সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন। তার নেতৃত্বেই প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফলাফল প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। যুগ্ম সমন্বয়ক থাকেন অন্তত তিনটি অনুষদের ডিন।

Reneta

ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন একাধিক ডিন নাম প্রকাশ না করার শর্তে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন, মডারেশন এবং পদ্ধতি সম্পর্কে।

তারা জানান, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঠিক হয়ে যাওয়ার পর প্রধান সমন্বয়কারী প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য সমন্বয়ক কমিটির সভা আহ্বান করেন। যুগ্ম সমন্বয়কারীদের উপস্থিতিতে প্রশ্ন আহ্বান, মডারেশন ও চূড়ান্তকরণসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করা হয় সে সভায়।

এরপর ডিন প্রশ্নপত্রের প্রতিটি অংশের জন্য (যেমন বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান বা বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন) একাধিক শিক্ষকের কাছ থেকে প্রশ্ন আহ্বান করেন। ডিন চাইলে একটি অংশের জন্য ২০ জন শিক্ষকের কাছ থেকেও প্রশ্ন নিতে পারেন। প্রশ্ন যে সংশ্লিষ অনুষদের শিক্ষকরাই করবেন এমন কোন নিয়ম নেই। বিশেষায়িত বিভাগ যেমন বাংলা, ইংরেজি অংশের প্রশ্ন ওই বিভাগের শিক্ষকরাও করতে পারেন।

নির্ধার্তিত সময়ের মধ্যে প্রশ্ন জমা পড়ার পর তা মডারেশনের জন্য কোর কমিটির মিটিং হয়। কোর কমিটিই ঠিক করে কোন কোন প্রশ্ন চুড়ান্ত প্রশ্নপত্রে থাকবে। কমিটি চাইলে এক শিক্ষকের পুরো প্রশ্নই চূড়ান্ত করতে পারেন। অথবা কয়েকজন শিক্ষকের প্রশ্ন থেকে এক বা একাধিক প্রশ্ন নিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রশ্ন চূড়ান্ত করতে পারেন। তবে ডিন চাইলে কোর কমিটির বাইরে গিয়েও নিজের মত করে প্রশ্ন চূড়ান্ত করতে পারেন।

ঘ ইউনিট পরীক্ষার মূল সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম

প্রশ্ন চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর তা টাইপ করা শুরু করে প্রেসে ছাপা হওয়ার পর নির্দিষ্ট প্যাকেট সিলগালা হয়ে কেন্দ্রে যাওয়া পর্যন্ত সবকিছুই হয় ডিনের সরাসরি তদারকিতে।

সাবেক একজন ডিন বলেন: প্রেসেও ডিনকে উপস্থিত থাকতে হয়। তার সঙ্গে আরও শিক্ষকরা থাকেন নজরদারির জন্য। সাধারণত প্রশ্নপত্রের ওপরের পৃষ্ঠায় কোন প্রশ্ন থাকে না বলে যারা প্রশ্ন প্যাকেট করে তাদের দেখার সুযোগ থাকে না। কিন্তু কেউ যাতে পাতা উল্টিয়ে ভেতর থেকে প্রশ্ন দেখতে না পারে সে জন্য শিক্ষকরা উপস্থিত থেকে নজরদারি করেন।

যেখানে প্রশ্ন প্যাকেট করা হয় সেখানে সিসি ক্যামেরা থাকা এবং মোবাইল ফোন সঙ্গে না নিয়ে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে এবং প্রেসে সিলগালা করা প্রশ্ন পরীক্ষার হল ছাড়া আর খোলা হয় না বলেও জানান তিনি।

এবার ঘ ইউনিটের দায়িত্বে যারা
শুক্রবার অনুষ্ঠিত ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মূল সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম। যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইতুল ইসলাম এবং আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ রহমত উল্লাহ।

ডিনের নেতৃত্বে কোর কমিটিতে ছিলেন ‍লোক প্রশাসন বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক আখতার হুসাইন এবং অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক নাজমা বেগম।

ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পর ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মূল সমন্বয়কারীর দায়িত্বে ছিলেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক এ জেএম শফিউল আলম ভূঁইয়া। পরে ডিন পরিবর্তন হলে মূল সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পান অধ্যাপক সাদেকা হালিম।

ঘ  ইউনিটের পরীক্ষা হয়েছে চারটি বিষয়ের মোট ১০০টি প্রশ্নে। প্রতিটি প্রশ্নে ১.২০ নম্বর করে মোট নম্বর ছিল ১২০। এই প্রশ্নে বাংলা ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ) ও সাধারণ জ্ঞান(আন্তর্জাতিক) এই চারটি বিষয় থেকে সমমানের সমান সংখ্যক প্রশ্ন করা হয়।

সমন্বয় কমিটির সভা হয়নি
নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগে সমন্বয় কমিটির এক বা একাধিক সভা হওয়ার কথা থাকলেও নতুন ডিন প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব নেওয়ার পরে এ কমিটির কোন সভা হয়নি। প্রশ্নপত্র মডারেশন, চূড়ান্তকরণসহ কোন পর্যায়েই যুগ্ম সমন্বয়কারীদের কাউকে ডাকা হয়নি বলে দায়িত্বশীল সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে চ্যানেল আই অনলাইন।

অন্যতম যুগ্ম সমন্বয়কারী আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ রহমত উল্ল্যাহ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: আমাদের কোন সভায় ডাকা হয়নি। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মডারেশন, চূড়ান্তকরণ কোন পর্যায়েই আমাদের ডাকা হয়নি।

প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপারে কিছু জানেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পত্রিকার সংবাদ থেকে পড়েছি।

সমন্বয় কমিটির কোন সভা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে মূল সমন্বয়কারী সাদেকা হালিম প্রথমেই এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন করেন, তুমি আসলে কী বের করতে চাচ্ছো বলো তো?’ পরে অবশ্য বলেন, কোন সভা হয়নি কিন্তু তারা(যুগ্ম সমন্বয়কারীরা) ব্যাপারটি সম্পর্কে সম্পর্কে অবহিত আছেন।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান
পরীক্ষার অন্তত আট ঘণ্টা আগেই প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায় বলে প্রমাণসহ একাধিক সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে। শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার আগের রাত দুইটা থেকে সাংবাদিকসহ কয়েকজনের কাছে ইমেইলে প্রশ্নপত্রের ইংরেজি অংশের প্রশ্ন আসে। পরীক্ষার পর মূল প্রশ্নের সঙ্গে আগে রাতে পাওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।

‘৩০ মিনিটেই দেখলাম একজন সব বৃত্ত ভরাট করে ফেললো!’
এক অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জুনিয়র শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, আমার যে কেন্দ্রে দায়িত্ব পড়েছিল ৩০ মিনিট না যেতেই দেখি এক শিক্ষার্থী বসে আছে। আমি ভাবলাম হয়তো পারছে না বলে বসে আছে। কাছে গিয়ে তার খাতা উল্টে দেখি সে পুরো ১০০টা বৃত্ত ভরাট করে ফেলেছে। আমি যতগুলো দেখেছি তার সবগুলোই সে সঠিক উত্তর দিয়েছে।

‘আগে থেকে প্রশ্ন না পেয়ে থাকলে এত অল্প সময়ে সবগুলো বৃত্ত ভরাট করা অসম্ভব। তাই আমি ওই শিক্ষার্থীর রোল নম্বরের ছবি তুলে নিয়ে এসেছি। শুধু সেই নয়, আমার কেন্দ্রে আরও ৫-৬ জনকে দেখেছি অল্প সময়ের মধ্যেই সবগুলো বৃত্ত ভরাট করে ফেলেছে।

ওই শিক্ষককে আরও বলতে শোনা যায়, আমার ধারণা যারা প্রশ্ন পায়নি তাদের মধ্যে কেউ চান্স পাবে না। আর যারা পেয়েছে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে কার স্কোর ভালো, ভর্তি পরীক্ষার নম্বরে নয়।

কীভাবে ফাঁস হলো প্রশ্ন?
এত নিরাপত্তার পরও কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হলো, সে প্রশ্ন এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে সংশ্লিষ্টদের মনে। এর আগে পরীক্ষা শুরুর পরে কেন্দ্র থেকে প্রযুক্তির সাহায্যে বাইরে যাওয়ার নজির থাকলেও পরীক্ষার আগের রাতেই প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাওয়ার নজির বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল না বলে জানিয়েছেন ১৯৮৫ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা করা সাংবাদিকেরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েকটি উপায়ে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যেতে পারে। চাইলে কোর কমিটির কেউ ফাঁস করে দিতে পারেন, যিনি প্রশ্নপত্র টাইপ করেন তিনিও ফাঁস করতে পারেন, অথবা নজরদারির ঘাটতি থাকলে প্রেস থেকে প্যাকেট করার সময়ও প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যেতে পারে।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের পরও অনুষদে বহাল এক কর্মকর্তা
ঘ ইউনিটের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পরে, এই ইউনিটসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন জালিয়াতির অভিযোগ থাকায় মুনির হোসেন নামের এক সহকারী রেজিস্ট্রারকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দায়িত্ব থেকে বদলির জন্য নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের কাছে লিখিত সুপারিশ করেছিলেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ডিন এবং ঘ ইউনিটের মূল সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. শফিউল আলম ভুঁইয়া।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দায়িত্বে থাকা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিমান বাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন জালিয়াতি , গত বছরে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট এবং চলতি বছর জনতা ব্যাংকসহ কয়েকটি সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।

কিন্তু ওই কর্মকর্তাকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দায়িত্ব থেকে এখনও বদলি করা হয়নি। এর কিছুদিন পর অবশ্য  ডিন পরিবর্তন হয়ে শফিউল আলম ভুঁইয়ার জায়গায় দায়িত্ব পান অধ্যাপক সাদেকা হালিম। পদাধিকার বলে ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার মূর সমন্বয়কের দায়িত্বও পান তিনি।

‘তোমরা পারলে খুঁজে বের করো’
প্রশ্ন ফাঁসের জন্য কাউকে সন্দেহ করছেন কিনা বা এ ব্যাপারে অভ্যন্তরীণ কোন তদন্ত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে, অধ্যাপক সাদেকা হালিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: আমরা বলেছি যে প্রশ্ন ফাঁসের দাবিটি অসত্য ও বাস্তবসম্মত নয়। তোমরা যদি আগেই প্রশ্ন পেয়ে থাকো তবে খুঁজে বের কর কারা করেছে।

স্বীকার না করে ‍প্রতিবাদলিপি
প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণসহ সংবাদ প্রকাশের পরেও তা অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ‘অসত্য ও বাস্তবসম্মত নয়’ উল্লেখ করে অধ্যাপক সাদেকা হালিম সেই করা এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মেইল আইডি থেকে পাঠানো প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, যে প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন প্রণয়ন ও মুদ্রণ হয় তা এতোটাই গোপনীয়তার মধ্যে করা হয় যে, তাতে ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস’-এর কোন সুযোগ নেই।  কোন কোন গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী আগের রাতে তাঁদের কাছে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌছে থাকলেও সে বিষয়ে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত তাঁরা প্রশাসনকে অবহিত না করে সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা শেষ হবার কয়েক ঘন্টা পর সংবাদ আকারে প্রকাশ করেছেন। এভাবে সংবাদ প্রকাশ করায় আমরা বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হয়েছি এবং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

পরীক্ষা বাতিলের সম্ভাবনা নাকচ
ব্যাপক হারে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর প্রমাণসহ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহনের জন্য। কিন্তু পরীক্ষা বাতিলের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যা অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান। রোববার যেকোনো সময় পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলেও জানা গেছে।

চ্যানেল আই অনলাইনকে উপাচার্য বলেন: ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে সেটা আমিও জানি। তবে সেটা সকাল দশটার পর; আগের রাতে নয় কোনভাবেই।

তিনি বলেন, শুক্রবার বেলা দুইটার আগে এক সাংবাদিকের মাধ্যমে আমি প্রথম শুনি যে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এর আগে আমার কাছে কেউ বলেনি, অভিযোগও করেনি। তাই আমরা মনে করছি এটা একটা অশুভ মহলের ষড়যন্ত্র। তাই পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে গ্রহণের কোন প্রশ্নই আসে না।

আগের রাতেই প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন: আমিও জানি প্রশ্ন বাইরে গিয়েছে। তবে সেটা গিয়েছে সকাল ১০টার পর অর্থাৎ পরীক্ষা শুরুর পর। এর আগে প্রশ্ন বাইরে যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

‘আমি তথ্য-প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা আমাকে বলেছে, প্রযুক্তির সাহায্যে সময়সহ এরকম আরও অনেক কিছু ম্যানিপুলেশন করা সম্ভব। তারপরও কারা এসব কাজ করছে বা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের তাদের খুঁজে বের করা হবে।’

গত শুক্রবার সকাল ১০টা-১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ঘ ইউনিটের এ পরীক্ষা। এ বছর এই ইউনিটের মোট ১ হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন।

পরীক্ষা চলাকালীন অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৩ জন এবং আগের রাতে দু’জনসহ মোট ১৫ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ১২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়প্রশ্ন ফাঁস
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

চ্যানেল আই বিশ্বকাপ ফেস্ট: শুক্রবার গড়াবে তিন দলের লড়াই

জুলাই ২, ২০২৬

শাস্তি পাননি মেসি, বলোগানের লাল কার্ড সঠিক?

জুলাই ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভিসা প্রক্রিয়া সহজ এবং দ্রুত করতে ভিসা নীতি সংশোধনের উদ্যোগ

জুলাই ২, ২০২৬

মেসির জন্মদিনে চিঠি লিখে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখতে যাচ্ছে ৮ বছরের লিতভি

জুলাই ২, ২০২৬

জেদ্দায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

জুলাই ২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT