উদ্বোধনের অপেক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেইট গণতন্ত্র ও মুক্তি তোরণ। তোরণ নির্মাণের উদ্যোক্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এ গেইট বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও বিকাশের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসের পথপরিক্রমায় জড়িয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বেশ কয়েকটি প্রবেশমুখ থাকলেও এর কোনো গেইট ছিলো এতোদিন। এবার নীলক্ষেত প্রবেশ মুখে তৈরি হলো মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ। ২৭ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার কারুকার্যময় তোরণের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন। নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স এনসিসি ব্যাংক। নির্মাণ কাজ শেষ।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি রকিব উদ্দিন আহমদ বলেন, এর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণরূপে শেষ। শুধু প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে পারছেন না বলে অপেক্ষা। সামনে রমজান মাস। এরপরে অগাস্টের শেষের দিকে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সময় ও সুযোগ করে গেটটির উদ্বোধন করবেন।
এনসিসি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম হাফিজ বলেন, প্রথম সারির বাণিজ্যিক একটি ব্যাংক হিসেবে এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমরা গর্বিত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মনে করেন এই গেইট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি অভিযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের স্মারক হয়ে থাকবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আআমস আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানান সময়ে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে। জীবন দিয়ে গেছে। তাই আমাদের প্রথম গেইটের নাম আমরা ‘মুক্তি ও গণতন্ত্র’ রেখেছি। তাহলে পরবর্তী কালে যারাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবে তারা প্রবেশপথেই গণতন্ত্রের তাৎপর্যের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার সুযোগ পাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পাঁচটি প্রবেশমুখেও একই ধরনের দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং অ্যালামনাই এসোসিয়েশন’র।







