বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ(বিপিএল) এবং ঢাকা ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলে যাওয়া খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত পারফরমেন্সেই টি২০ বিশ্বকাপের সুপার টেনের টিকিট কেটেছে আফগানিস্তান। দলীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি থেকে শুরু করে ওপেনার শাহাজাদ, গুলাম নবীদের মতো খেলোয়াড়দের বহুবার দেখা মিলেছে ঢাকার মাটিতে।
তবে আফগানদের বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলাটা মোটেও সহজ ছিলোনা। কেননা, ‘বি’ গ্রুপে জিম্বাবুয়ের মতো হ্যাভিওয়েট প্রতিপক্ষ ছিলো। দুই দলেরই ছিলো দু’টা করে জয়। তাই নাগপুরের শনিবারের ম্যাচটি এক অঘোষিত ফাইনালে পরিনত হয়েছিলো।
দলটা যখন জিম্বাবুয়ে চাপ তো ছিলোই। কিন্তু চাপকে পাত্তা না দিয়েই জিম্বাবুয়েকে এক প্রকার উড়িয়ে সুপার টেনের টিকিট কেটেছে আফগানরা।
আফগান খেলোয়াড়দের শেখার আগ্রহ প্রবল। সেটার প্রমাণ মেলে মুশফিকুর রহিমের কথায়। বিপিএল শেষ এক সংবাদ সম্মেলনে টাইগার টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বলেছিলেন, আফগানিস্তানে দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের ভেতর শেখার ইচ্ছেটাও প্রবল। সমর্থের সর্বোচ্চটা দিয়ে তারা চেষ্টা করে।
ভারতের মাটিতে শুরুটাও দুর্দান্ত ছিলো আফগানদের। প্রথম ম্যাচেই স্কটল্যান্ডকে ১৪ রানে হারায় তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে হংকংয়ে বিপক্ষে ৬ উইকেটের বিশাল জয়।
তিন ম্যাচেই দুর্দান্ত ছিলেন ওপেনার মোহাম্মদ শেহেজাদ।স্কটিশদের বিপক্ষে ৬১ রানের ইনিংস খেলার পর হংকংয়ের বিপক্ষে খেলেন ৪১ রানের ইনিংস।আজ জিম্বাবুয়েল বিপক্ষেও খেলেছেন ৪০ রানের মূল্যবান ইনিংস।
গুলাম নবী ব্যাটে সেভাবে উজ্জ্বল না হলেও তার অলরাউন্ডিং পারফরমেন্সে দল সব সময় ছিলো উজ্জীবিত।
আর আফগানিস্তানের ম্যাচ মানেই দলীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ নবির বিজ্ঞাপন। ব্যাটে বলে বহুদিন থেকেই দলকে উজ্জীবিত করে চলেছেন তিনি। প্রথম ম্যাচে ব্যাটে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও ১৮ রান করার পাশাপাশি ৫ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে রেখেছিলেন বড় ভূমিকা। শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩২ বলে ৫২ রানের ঝকঝকে ইনিংস। সঙ্গে আবার এক উইকেট।






