আইন সংশোধন করে নির্বাচনের ক্ষমতা ইসির হাতে না দিলে ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে জেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না বলেও নিশ্চিত করেছে ইসি।
জেলা পরিষদ গঠন করা হয় ১৯৮৮ সালে। তার পর থেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও অন্য সদস্যদের মনোনীত করা হলেও প্রায় ২৯ বছর পর এবার সরাসরি জেলা পরিষদ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ।
তবে সব নির্বাচন এর বিধি-বিধান তৈরির ক্ষমতা ইসির হাতে থাকলেও এই নির্বাচনের সব ক্ষমতা সরকারের হাতে।
ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন করতে অনানুষ্ঠানিক ভাবে ইসিকে প্রস্তুতি নিতে বলেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কিন্তু জেলা পরিষদ আইন সংশোধন না করা হলে ওই নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইসি।
শুধু আইন পরিবর্তন নয়; নির্বাচন করতে হলে ভোটার তালিকা হাল নাগাদ, সীমানা নির্ধারণ ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মেম্বার পদের পরিবর্তন আনতে হবে।
তবে ইসি বলছে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার পর থেকেই নিজ উদ্যোগে আচরণ বিধিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছে। অন্য সব স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এত বছর পর জেলা পরিষদ নির্বাচন করার সরকারি সিদ্ধান্তে সন্তোষ জেলা পরিষদ প্রশাকদের। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট দেবেন পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মেয়র চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। মোট ভোটার প্রায় ৬৮ হাজার।








