মহাবিপন্ন প্রজাতির কাছিম ‘বাটাগুর বাস্কা’ আবার ডিম দেয়া শুরু করেছে। এরই মধ্যে এ কাছিম সংরক্ষণ প্রকল্পের দুটি প্রজনন কেন্দ্রে চারটি স্ত্রী কাছিম ১শ১২টি ডিম দিয়েছে। ডিম থেকে সঠিকভাবে বাচ্চা ফোটানোর জন্য অস্ট্রিয়ার জু ভিয়েনার দু’জন বিজ্ঞানী পিঁপড়া প্রতিরোধক ঝুড়ি এনেছেন।
বিলুপ্তপ্রায় কাছিম বাটাগুর বাস্কা টিকিয়ে রাখতে কাজ করছে অস্ট্রিয়ার জু ভিয়েনা, টারটেল সারভাইভাল এলায়েন্স, বাংলাদেশ বনবিভাগ এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন। এর প্রজনন কেন্দ্র সুন্দরবনের করমজল ও গাজীপুরের ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কে এবার চারটি কাছিম মোট ১শ১২টি ডিম দিয়েছে।
ডিম থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাচ্চা ফোটাতে জু ভিয়েনার দুই বিজ্ঞানী বাংলাদেশে আসেন। পিঁপড়ার হাত থেকে রক্ষা করতে ডিমগুলোকে তারা বিশেষ ধরনের ঝুড়িতে প্রতিস্থাপন করেছেন।
স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া দুটি বাটাগুর বাস্কার মধ্যে ধরা পড়া একটির বর্তমান অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন জু ভিয়েনার এ বিজ্ঞানীরা।
বাটাগুর বাস্কা প্রকল্প শুরুর পর থেকে সাত বছরে ১শ৪৫টি বাচ্চা পাওয়া গেছে। সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান প্রকল্পের অংশীদাররা।
জু ভিয়েনার এ বিজ্ঞানীরা চ্যানেল আই কার্যালয় ঘুরে গেছেন। তারা প্রকৃতির জন্য চ্যানেলটির নানা কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ। জনসচেতনা তৈরিতে এর সংবাদ ও অনুষ্ঠানমালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞানীরা।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্ট:







