আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচ বি এম ইকবালের কারাবন্দি স্ত্রী ও তিন সন্তানকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি বিচারপতি কৃষ্ণাদেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই জামিন আদেশ দেন।
আদালতে ইকবালের পরিবারের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
সম্পত্তির বিবরণী দাখিলের জন্য ২০০৭ সালে ইকবাল পরিবারকে নোটিশ দেয় দুদক। পরবর্তীতে সম্পদের বিবরনীতে তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে মামলা করে দুদক।
পরে মামলায় বিচারিক আদালত ২০০৮ সালের ১১ মার্চ ইকবালকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ১০ বছর এবং মিথ্যা সম্পদ বিবরণী দাখিলের কারণে আরও তিন বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
সেই সঙ্গে তার স্ত্রী মমতাজ বেগম, দুই ছেলে মোহাম্মদ ইমরান ইকবাল ও মঈন ইকবাল এবং মেয়ে নওরীন ইকবালকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
পরে ইকবাল আত্মসমর্পণ করেন এবং হাইকোর্ট থেকে খালাস পান। তবে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে আদালতে কখনো আত্মসমর্পণ করেননি। কিন্তু হাইকোর্টে আবেদন করলে তাদের সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়।
স্থগিত আদেশের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৫ নভেম্বর আপিলে আবেদন করেন দুদক।
২৭ নভেম্বর আপিল বিভাগ তাদের সাজার কার্যকারিতা স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এবং ইকবালের স্ত্রী মমতাজ বেগম, দুই ছেলে মঈনুদ্দিন ইকবাল ও ইমরান ইকবাল এবং মেয়ে নওরিন ইকবালকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেন।
এরপর ইকবালের পরিবার গত ৮ মার্চ বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়। এর পরদিনই তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। সেই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আজ আদালত আদেশ দিলেন।








