সফর শেষে শ্রীলঙ্কা থেকেই উড়ে গিয়েছিলেন ভারতে। তখন ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতেই সাকিব আল হাসানকে প্রথম ম্যাচে খেলানোর ঝুঁকি নেয়নি নাইট রাইডার্স শিবির। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেও একাদশে সাকিবের জায়গা হলো না। জয়ী ম্যাচের অপরিবর্তিত একাদশ সাজিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে নেমে অবশ্য হেরে মাঠ ছেড়েছে গৌতম গম্ভীরের দল।
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে কেকেআর। রোববার ডাগআউটে বসেই দলের সেই হার দেখতে হলো টাইগারদের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে কলকাতা। শুরুতে দুই উদ্বোধনী গম্ভীর এবং ক্রিস লিন ভালোই করছিলেন। ব্যক্তিগত ১৯ রানে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক গম্ভীর। দলের সংগ্রহ তখন ৪৪ রান।
সেখান থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কলকাতা। অবশ্য একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে ১৭৮ রানের বড় সংগ্রহই এনে দেন মনিষ পাণ্ডে। ৫টি করে চার-ছয়ে সাজানো তার ৪৭ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসটি।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ ছিল মুম্বাইয়েরও। উদ্বোধনীতেই ৬৫ রান যোগ করেন পার্থিব প্যাটেল এবং জস বাটলার। প্যাটেল (৩০) আউট হওয়ার পর মড়ক লাগে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে।
ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একাই লড়ে গেছেন নীতিশ রানা। ৩ ছয় ও ৫ চারে ২৯ বলে ৫০ রান করে ফেরেন রানা। তখন হারের শঙ্কাই জাগে মুম্বাই শিবিরে। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়া ছিলেন। এই অলরাউন্ডার ১১ বলে ২৯ রানের তাণ্ডব চালিয়ে এক বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের নোঙরে ভেড়ান।
সাকিবকে বসিয়ে যাদের খেলিয়েছে কলকাতা, তারা আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। ব্যাটসম্যান ক্রিস লিন ও স্পিনার সুনীল নারিন ভালো করলেও অন্য দুই বিদেশী ট্রেন্ট বোল্ট এবং ক্রিস ওকস ব্যর্থ হয়েছেন। বোল্ট ৩.৫ ওভারে ৪৭ এবং ওকস ৪ ওভারে ৩৪ রানে এক উইকেট নিয়েছেন। নারিন ৪ ওভারে ২২ রানে ১ উইকেট নিয়ে যথারীতি সফল। লিন করেছেন ২৪ বলে ৩২ রানে।








