ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য।
শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক ইকবাল কবীর।
এসময় নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যের প্যানেল মনোনীত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তাদের ১৬ দফা অঙ্গীকারসমূহের মধ্যে রয়েছে:
১। সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় চাই। গেস্টরুম-গণরুমে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং প্রথম বর্ষ থেকেই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বৈধ সিটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
২। হল ও বিভাগগুলো কর্তৃক অবৈধ ফি আদায় ও সকল বাণিজ্যিক কোর্স বন্ধ করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়কে বেসরকারি খাতের মুনাফার স্বার্থে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না।
৩। শিক্ষা-গবেষণা ও ছাত্র অধিকার সংশ্লিষ্ট খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
৪৷ ‘৭৩ এর অধ্যাদেশের অসম্পূর্ণতা দূর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন-স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
৫। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করতে হবে।
৬। প্রশাসনিক কার্যক্রমে হয়রানি ও জটিলতা বন্ধ করতে হবে।
৭। নতুন বাস কিনতে হবে, বাস ও রুটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
৮। মেডিকেল সেন্টারকে আধুনিকায়ন ও ১০০ শয্যায় উন্নীত করতে হবে।
৯। সকল একাডেমিক ভবনে সুলভ মূল্যে খাবার সংগ্রহে ক্যান্টিন চালু করতে হবে।
১০। পাঠদান পদ্ধতিকে বিজ্ঞান ভিত্তিক ও আকর্ষণীয় করতে হবে৷ ক্লাসে উপস্থিতির উপর মূল্যায়ন বন্ধ করতে হবে। শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করতে হবে।
১১। ছাত্র-শিক্ষক কর্তৃত্বমূলক নয় সম্পর্ক নয় বরং সহায়তার সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
১২। ধর্মভিত্তিক, সাম্প্রদায়িক, জাতিগত ও লৈঙ্গিক বৈষম্য সৃষ্টিকারী সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে।
১৩। প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
১৪। পাহাড় ও সমতলের সকল আদিবাসী জাতিসত্তার ছাত্রছাত্রীদের অধিকার রক্ষায় কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৫। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য ও খেলাধুলার চর্চার ব্যাপক বিস্তার ঘটানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।
১৬। দেশের শ্রমিক, কৃষকসহ গণমানুষের ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জ্ঞাপন করবে।








