আলাবামার রিপাবলিকান সিনেটর এবং নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জেফ সেশন্সকে (৬৯) অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এছাড়াও প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ পেয়েছেন। আর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক করা হয়েছে কানসাস কংগ্রেসম্যান মাইক পম্পেওকে (৫২)।
সাবেক প্রসিকিউটর সেশন্স ১৯৯৬ সালে সিনেটে নির্বাচিত হন। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার পুরোটা সময়ই সেশন্স ও ফ্লিন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে কাজ করেছেন।
এ দু’জনই এর আগে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বিতর্কিত হয়েছেন। সেশন্সকে বহুবার ‘বর্ণবাদী’ আখ্যা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৬ সালে বর্ণবাদী মন্তব্যে ফেডারেল জাজ পদ হারানো সেশন্স অ্যাটর্নি জেনারেল পদে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ কংগ্রেসে সহজেই অনুমোদন পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে রাশিয়া ও পুতিন-প্রীতির কারণে ফ্লিনও বেশ কয়েকবার সমালোচিত হয়েছেন।
মাইক পম্পেও ট্রাম্প রিপাবলিকান দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির পর থেকে ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়ে আসছেন। বিশ্লেষণ এবং কর্মপদ্ধতির দিক থেকে প্রতিভাধর এই কংগ্রেসম্যানের এখন পর্যন্ত কোনো বদনাম নেই। তাই আপাতত নির্ধারিত এই তিন ক্যাবিনেট সদস্যের মধ্যে একমাত্র পম্পেওকেই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্যাবিনেট গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত আকার নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা গ্রহণ প্রক্রিয়া ট্রাম্পের নেতৃত্বে মসৃণভাবেই এগিয়ে চলছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
অন্যান্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ট্রাম্প টাওয়ারে আসছেন মাইক হাকাবি এবং ২০১২ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও ট্রাম্প সমালোচক মিট রমনিও।








