ওমান উপসাগরে দু’টি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার হওয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে ভিডিও প্রকাশ করেছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ‘আশঙ্কাজনক’ এবং ‘ভুল’ বলে মন্তব্য করেছে তেহরান।
এ ব্যাপারে ইরানের অস্বীকারকে বাতিল করে দিয়ে ট্রাম্প প্রমাণ হিসেবে ওই ভিডিওচিত্রকেই তুলে ধরেছেন। বলেছেন, ওখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে একটি ছোট নৌকায় করে ইরানি সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য হামলার শিকার দু’টি ট্যাংকারের একটি থেকে একটি অবিস্ফোরিত মাইন সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাতকারে শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, তেহরান যখনই চাইবে ওয়াশিংটন তখনই আলোচনায় বসতে তৈরি আছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের স্বার্থ রক্ষা করবে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।

ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টার জন্য তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
বিস্ফোরণের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বলেছেন, সত্য ঘটনাটি ‘স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে’।
তদন্ত ছাড়া তাড়াহুড়ো করে যেন সিদ্ধান্ত নেয়া না হয়, এ ব্যাপারে হুঁশিয়ার করেছে রাশিয়া।

বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রায় মাসখানেক আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূল থেকে সামান্য দূরে বিস্ফোরণে চারটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। ওই হামলার জন্যও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকেই দোষ দিয়েছিল। কিন্তু কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। ইরানও ওই হামলার দায় অস্বীকার করেছে।








