১৮৭৭ সালে মেলবোর্নে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে হওয়া প্রথম টেস্ট থেকে এখন পর্যন্ত বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে খেলা হয়ে এসেছে সাদা জার্সিতে। যাতে নাম বা নম্বরের কোনো জায়গা ছিল না। পরে ওয়ানডের কল্যাণে আসে রঙিন জার্সি। তারও অনেক পরে আসে জার্সিতে নাম্বার। সেই নাম্বার সীমাবদ্ধ থেকেছে শুধু ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটেই। এবার টেস্টেও চলে এল জার্সিতে নাম ও নম্বর।
এখন তারিখটা খেয়াল রাখতেই হবে ক্রিকেটভক্তদের। ১ আগস্ট, ২০১৯। ইংল্যান্ডের এজবাস্টনে ওইদিন শুরু হচ্ছে অ্যাসেজ। সেদিনই টেস্ট ক্রিকেটের ১৪২ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো খেলোয়াড়রা খেলতে নামবেন জার্সির পেছনে নাম ও নম্বর নিয়ে।
এতদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জার্সি নম্বর থাকত শুধু ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টিতে। সেই সঙ্গে টেস্টে হঠাৎ কেন জার্সি নম্বর?
আইসিসি থেকে এই নিয়ম চালু করা হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে মাথায় রেখে। যে চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু ধরা হচ্ছে এ বছরের অ্যাসেজ সিরিজ। টেস্ট খেলা প্রথম নয়টি দেশকে নিয়ে হবে এ চ্যাম্পিয়নশিপ। আর শেষ হবে দু’বছর পর, ২০২১ সালে।
চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালটিও হবে ইংল্যান্ডে। জার্সি নম্বরের এই রীতি মানলে আগস্টের পর থেকে চ্যাম্পিয়নশিপের আওতায় থাকা অন্য দেশগুলোকেও হয়তো টেস্টে নম্বরওয়ালা জার্সিই পড়তে দেখা যাবে।
আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলের খেলোয়াড়রা নিজের পছন্দ মতোই জার্সি পরতে পারবেন। নম্বর বাছতে হবে ১ থেকে ৯৯’এর মধ্যে। অর্থাৎ, সেক্ষেত্রে মুত্তিয়া মুরালিধরনের মতো ৮০০ বা ক্রিস গেইলের স্টাইলে ৩৩৩ নম্বর জার্সি দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।






