দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। হারলে একরকম টুর্নামেন্ট শেষই! এমন অবস্থায় যেখানে জ্বলে ওঠার কথা, সেখানে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সামনে যেন ব্যাটিংটাই ভুলে গেলেন সাউথ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা। আমলা-ডুসেনরা টেনেটুনে যেতে পারলেন কেবল ২৪১ পর্যন্ত।
এজবাস্টনে এবারের বিশ্বকাপে এটাই প্রথম ম্যাচ। আগের সব ভেন্যু মিশ্র অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়ায় এখানে উইকেট কেমন আচরণ করে সেটা জানার ছিল। সাউথ আফ্রিকা- নিউজিল্যান্ড দুদলের জন্যই টস জেতা ছিল জরুরী। তার উপর ম্যাচের আগে বৃষ্টির হওয়ায় কোনো দলই চায়নি প্রথমে ব্যাট করতে।
সাউথ আফ্রিকার কপাল পোড়া! শুরু থেকে একের পর এক ম্যাচ হারা প্রোটিয়ারা এদিনও হারল টসে। বৃষ্টির কারণে এক ওভার কমে আসা ম্যাচে প্রথমে ব্যাট, কিউইদের জ্বলন্ত পেসব্যাটারির সামনে।
শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। দ্বিতীয় ওভারেই ট্রেন্ট বোল্টের ভয়ঙ্কর ইয়র্কারে স্টাম্প উপরে যায় ওপেনার কুইন্টন ডি ককের (৫)।
একই রকম আউট হয়েছেন ফ্যাফ ডু প্লেসিসও। লোকি ফার্গুসনের স্লোয়ার ইয়র্কারে স্টাম্প ভেঙে যাওয়া আগে হাশিম আমলার সঙ্গে ৫০ রান যোগ করেছেন অধিনায়ক। নিজে করেছেন ২৩ রান।
অফফর্মে থাকা হাশিম আমলা এ ম্যাচে ফিফটি পেয়েছেন। মিচেল স্যান্টেনারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে করে গেছেন চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ফিফটি। খুব যে স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না সেটা ব্যাটিং দেখেই বোঝা গেছে। ৫৫ রান করতে খেলেছেন ৮৩ বল।
দলকে আড়াইশো ছুঁইছুঁই স্কোর পার করে দেয়ার মূল কৃতিত্বটা নিতে পারেন এ বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের একমাত্র ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যান রেসি ফন ডার ডুসেন। আমলার সঙ্গে ৫২ আর ডেভিড মিলারের সঙ্গে তার ৭২ রানের দুটি জুটিতে সাউথ আফ্রিকাকে এনে দিয়েছেন সম্মানজনক সংগ্রহ। ৬৪ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় নিজে করেছেন দলীয় সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬৭ রান।
কিউইদের হয়ে সেরা বোলার লোকি ফার্গুসন। ৫৯ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। বোল্ট, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, স্যান্টেনার ভাগাভাগি করেছেন বাকি ৩ উইকেট।








