নিউজিল্যান্ডে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। মাহমুদুল হাসান জয়ের এক রানের আক্ষেপের ম্যাচে নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯’কে ৬ উইকেটে হারায় টাইগার যুবারা। ৯৯ রান করেন মাহমুদুল।
ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল ২ অক্টোবর (বুধবার)। কিন্তু বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ডে’তে গড়ায় ম্যাচ। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের পকেটে ভরার কাছাকাছি পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। বাকি তিন ম্যাচের আর একটিতে জিতলেই সিরিজ হবে জুনিয়র টাইগারদের।
লিংকনে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশের টাইট বোলিংয়ের সামনে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রানের বেশি যেতে পারেননি নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে অবশ্য ওপেনার থমাস জোহরাব একাই করেন ১১২ রান। জুটিতে ৫৫ তোলা তার সঙ্গী ও অধিনায়ক ওলি হোয়াইট করেন ৩০ রান।
জোহরাব ও হোয়াইট ছাড়া নিউজিল্যান্ডের অন্যকোনো ব্যাটসম্যানই ক্রিজে সুবিধা করতে পারেননি। শেষদিকে উইকেটকিপার কুইন সান্ডি ২৯ ছাড়া কুড়ির ঘর ছুঁয়েছেন কেবল একজন। মিডল অর্ডাররে চাকা ঘোরাতে না পারায় ২৪২ রানেই থেমে যায় কিউইদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে দুই উইকেট নিয়ে সফল বোলার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। রকিবুল হাসান, শামীম হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও তানজীম হাসান সাকিব প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে ৩১ রানে প্রথম উইকেট হারালেও (পারভেজ হোসেন ইমন ৬ রানে আউট হন) নাগালে থাকা লক্ষ্যটা ছুঁতে তেমন একটা বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। হতে দেননি আসলে তানজীদ হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৯৫ রান তুলে নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন তারাই। এদুজন ছাড়া ব্যাট হাতে অবদান আছে ৪০ রান করা তৌহিদ হৃদয়েরও। ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম হোসেন।
দলের সহজ জয়ে একটু হলেও আক্ষেপ আছে মাহমুদুলের। এক রানের জন্য যে তিনঅঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি তিনি। ১২৫ বলে ১০ চারে ৯৯ রানে আউট হন এ ওপেনার। তাকে দারুণ সঙ্গ দেয়া তানজীদ একটু বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ৬৩ বলে পাঁচ চার ও এক ছয়ে তিনি করে যান ৬৫ রান।
স্বাগতিকদের হয়ে দুটি উইকেট নেন জোক ম্যাকেঞ্জি।
দু’দলের তৃতীয় ওয়ানডেটি হবে ৬ অক্টোবর, একই ভেন্যুতে।








