মমিনুল হকের বিদায়ের পর দ্রুতই ফিরে গেলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২ রান করতে সক্ষম হন মুশফিক।
অর্ধশতক পূর্ণ করা ইমরুল কায়েসকে সঙ্গ দিতে মাঠে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। মধ্যাহ্ন বিরতির আগ পর্যন্ত ৩০ ওভার ১ বল খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান।
এর আগে হরভজন সিং এর বলে উমেশ যাদবের তালুবন্দি হওয়ার আগে টাইগারদের টেস্ট বিস্ময় মমিনুল হক ৫৪ বলে ৩০ রান করেন। ভারতের পক্ষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুইটি এবং হরভজন সিং একটি উইকেট শিকার করেছেন।
বৃষ্টি বাধায় সাময়িকভাবে স্থগিত থাকার পর আবারো মাঠে গড়ায় বাংলাদেশ-ভারত একমাত্র টেস্ট ম্যাচটির চতুর্থ দিনে খেলা। বৃষ্টিবিঘ্নতার আগে আজ চতুর্থ দিনের খেলায় ১২ ওভার ৪ বল খেলা হয়েছিলো। যাতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাড়িয়েছিলো ১ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান।
দিনের শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল মাত্র ১৯ রান করেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বোলে স্ট্যাম্পিং এর শিকার হয়ে আউট হন। উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা তামিমের স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দেয়ার আগে তামিম ২১ বল খেলেন।
নিজের সহজাত মারকুটে ব্যাটিংই করছিলেন তামিম ইকবাল। তামিমের ১৯ রানের ছোট ইনিংসটিতে রয়েছে ৩ টি দৃষ্টিনন্দন চারের মার। চতুর্থ দিন বাংলাদেশের পক্ষে উদ্বোধন করতে নেমেছিলেন তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েস।
এর আগে চতুর্থ দিনের শুরুতেই ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। বৃষ্টিবিঘ্নিত টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ দাড়িয়েছিলো ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৬২ রান।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে প্রথম দু’দিনে বৃষ্টি বাধার পর তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৩৭ ওভার নির্বিঘ্নে খেলা হয়। তবে লাঞ্চ-বিরতির পর বৃষ্টির কারণে ৩ দফায় বন্ধ হয় ম্যাচ।
তৃতীয় দিনে যে ৪৭ ওভার খেলা হয়েছে তাতেই ভারতের ৬টি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান ৪টি এবং জুবায়ের ২টি উইকেট নেন। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন শিখর ধাওয়ান। ১৯৫ বলে ১৭৩ রান করেন শিখর। ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা ভারতীয় ওপেনার মুরালি বিজয় ১৫০ রান করে আউট হন।






