বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন টাইগারদের নতুন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোচের দায়িত্ব নিলেও টাইগারদের বোলিংয়ের বৈচিত্র্য এবং কঠোর পরিশ্রমের কারণে আশাবাদী তিনি। শুধু কোচ নয়, মেন্টর হিসেবেও তিনি দলকে উজ্জীবিত করতে চান।
বিসিবিতে এসে কোচিং ক্যারিয়ারেও সাফল্যের জন্য তেমন ক্ষুধার কথা জানালেন ২২ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দেয়া ওয়ালশ।
টাইগারদের নতুন বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ বলেন, তরুণ আর মেধাবী ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। এবার সেই সুযোগ পেয়েছি। আশা করছি একটা টেস্ট খেলুড়ে দলের সঙ্গে কাজটা বেশ উপভোগ্য হবে। তাদের সঙ্গে কাজটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জের হবে।
ক্রিকেটীয় আচরণে বরাবরই আদর্শ ওয়ালশ। ১৯৮৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে দলের হারের বিনিময়েও বিসর্জন দেননি ক্রিকেটীয় ঔদার্য। ভক্তদের অকুণ্ঠ প্রশংসা ছাড়াও পেয়েছেন আইসিসি’র ক্রিকেট হল অফ ফেইমে স্থান। বাংলাদেশের বর্তমান সাফল্য ধরে রেখে কঠোর পরিশ্রমে দলের আরো সাফল্য চান ওয়ালশ।
ক্যারিবীয় লিজেন্ড আরও বলেন, আমি প্রথমে তাদের জানার চেষ্টা করবো। আমি তাদের খেলা দেখিছি। তাদের বেসিক জানা আছে। আমি বাকি কৌশলগুলো নিয়ে কাজ করবো। তবে আমি বিশ্বাস করি ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে গেলে ফিটনেসটা ধরে রাখতে হবে। আর সে সঙ্গে পরিশ্রমের বিকল্প কিছু নেই।
গর্ডন গ্রিনিজের মতো মূল কোচ নন, তবে দ্বিতীয় ক্যারিবীয় হিসেবে টাইগারদের কোচিংয়ে যুক্ত হয়েছেন কোর্টনি ওয়ালশ। চুক্তি অনুযায়ি ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত পেস বোলিং কোচের দায়িত্বে থাকবেন টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম পাঁচশো উইকেট শিকারি এই লিজেন্ড।
কোর্টনি ওয়ালশ বলেন, আমি শেষ টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা দেখেছি। মুগ্ধ হয়েছি তাদের খেলা দেখে। আমি শুধু পেসারদের কথাই বলবো না। ব্যাটসম্যান-স্পিনার সবাই দারুণ খেলে।
১৭ বছরের ক্যারিয়ারে ১৩২ টেস্টে ৫১৯ উইকেট নিয়ে ২০০১ সালে অবসর নেন। সেসময় তিনিই ছিলেন সর্বাধিক টেস্ট উইকেট শিকারি।
এদেশের ক্রিকেট ১৯৯৬ থেকে পরের তিন বছর সমৃদ্ধ হয়েছে ক্যারিবিয়ান গ্রেট গর্ডন গ্রিনিজের কোচিং’য়ে। মাঝে অল্প কিছুদিনের জন্য টাইগারদের উন্নতিতে কাজ করেছেন স্বর্ণ যুগের ক্যারিবীয় ফাস্ট বোলার অ্যান্ডি রবার্টস। টাইগার ক্রিকেটে মাঠের লড়াইয়ে ওয়ালশ যুগ শুরু হবে চলতি মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজ দিয়ে।








