চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

জয় হোক শেখ হাসিনার

শফী আহমেদশফী আহমেদ
১২:০১ পূর্বাহ্ণ ১৭, মে ২০১৭
মতামত
A A

আজ ১৭ মে । ১৯৮১ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এইদিনটিকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিজয়ী বাঙালির স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশে পদার্পণ করেন ইতিহাসের মহানায়ক বাঙালির কালজয়ী পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই দিনটি ছিল ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। সাড়ে ৭ কোটি বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আনন্দ-অশ্রুশিক্ত ভালবাসায় বরণ করে নিয়েছিল। কিন্তু, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। বিদেশে অবস্থান করার কারণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর ২ কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। লন্ডন থেকে জার্মানি হয়ে দিল্লীতে আশ্রয় গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। দেশে তখন খুনি জিয়ার শাসন চলছে। খুনি জিয়া কোনো অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধু কন্যাদ্বয়ের দেশে ফিরে আসতে দিতে চায়নি। জনমত ও আন্তর্জাতিক চাপে শেষে ১৯৮১ সালের মে মাসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার অনুমতি মেলে।

সেদিন আকাশ থেকে অঝর ধারায় বৃষ্টি পড়ছিল। ঈশ্বর নাকি অনেক সময় কাঁদেন, সেদিন কী চোখেও কান্না ঝড়ে ছিল? বাংলার একুল ওকুল ছাপিয়ে ঘন ঘোঢ় বৃষ্টির মধ্যে শেখ হাসিনাকে বহন করা বিমান ঢাকা বিমান বন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে মানিক মিয়া এভিনিও সমবেত লক্ষ লক্ষ জনতার ক্রন্দন ধ্বনি, মঞ্চে পিতৃমাতৃ ভাইবোন হারা, সব হারা ক্রন্দনরত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, চারপাশে ঘিরে ছিলেন আবেগাপ্লুত দলীয় নেতৃবৃন্দ।

অনেক প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে নেত্রী দেশে ফিরে আসলেন। কিন্তু উনাকে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার কালপঞ্জিকা রচিত হয় এবং যেখানে ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে শহীদ হন স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুর সেই স্মৃতি বিজড়িত ৩২ নম্বরে শেখ হাসিনাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগেই আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। নেত্রী শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেই একে একে দলীয় আভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হন। স্লোগান উঠে রক্তের উত্তরাধিকার বড় না আদর্শের উত্তরাধিকার বড়,  এই দ্বন্দ্ব থেকে আওয়ামী লীগ বিভক্তির মুখে পড়ে।

এরপরেও যারা নেত্রীর চারপাশে ছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই নানাভাবে নেত্রীর রাজনৈতিক পদচারণায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৮১ সালের ৩১ মে খুন হয়ে যায় খুনি জিয়া। শুরু হয় দেশে নতুন ষড়যন্ত্র। এই প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে আবির্ভাব ঘটে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ নতুন সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের। আমার খুব স্পষ্ট মনে পড়ে ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধে জননেত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নির্মম লাঠি পেটার বর্বরতম দৃশ্য। জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দকে অন্তরীণ করা হয়।

Reneta

স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক দল সমূহের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে ১০ দলীয় ঐক্যজোট কীভাবে সামরিক শাসনকে মোকাবেলা করা যায় তারপ্রস্তুতি পর্ব নির্ধারণ করে। একই সাথে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনগুলি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে ঐক্যের সূচনা করে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এই সংগ্রাম ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর সামরিক শাসক এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিজয়ের সূচনা করে।

১৫ দলীয় ঐক্যেজোটের আন্দোলনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ কখনো ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ, কখনো ২২টি ছাত্র সংগঠন সবশেষে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য গঠন করে এরশাদ সরকারের পতনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে যেভাবে তৎকালীন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ৬ দফার আন্দোলনকে এক দফা আন্দোলনের দিকে ধাবিত করে ঠিক তেমনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য নিয়ামক শক্তির ভূমিকা পালন করে। শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদ, কৃষক ও ক্ষেত মজুরদের যৌথমোর্চা, বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশাজীবী সংগঠনগুলি জাতীর ক্রান্তি লগ্নে ঐতিহাসিক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

১৫ দলীয় ঐক্যজোটের পাশাপাশি ৭ দলীয় ঐক্যজোটও আন্দোলনে শামিল হয়। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ নয় বছরের সামরিক বিরোধী সংগ্রামে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং আন্দোলনের বাঁকে বাঁকে সামরিক শাসকের হাতে অন্তরীণ হন। চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে এবং যেদিন নূর হোসেন শহীদ হন সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যা করাই ছিল সামরিক জান্তার মূল পরিকল্পনা।

আন্দোলনে বিজয়ী হলেও সামরিক জান্তার পদত্যাগের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে তুলনামূলক সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি সংখ্যা গরিষ্টতা লাভ করতে পারেনি। কিন্তু রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন একটি যুগান্তকারী ঘটনার বিজয় সাধিত হয়।

যে লক্ষ্যে নয় বছর আন্দোলন সংগ্রাম পরিচালিত হয়েছিল সেই লক্ষ থেকে বিচ্যুত হয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি পাকিস্তানি কায়দায় পুনরায় দেশ পরিচালনা করতে থাকে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই পাকিস্তানি ধারার বিরুদ্ধে অটল থেকে পুনরায় আন্দোলন সংগ্রামের সূচনা করেন। ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে মানবতা বিরোধী কু-খ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব প্রদান করলে, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণ-আদালত গঠন করে ২৬ মার্চ গোলাম আযম সহ কু-খ্যত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদেও প্রতীকী বিচার কার্য সম্পন্ন হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের এই ঘাতক দালালদের প্রতীকী বিচারের আন্দোলনে নিঃশর্তভাবে সমর্থন দান করেন ও পরোক্ষভাবে সকল কর্মকাণ্ডকে সফলভাবে পরিচালনার দিক নির্দেশনা দান করেন। আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে আমি এর প্রত্যক্ষ সাক্ষী।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই, দীর্ঘ দিনের অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ী ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘাত নিরসনে ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করেন। বিলুপ্ত হয় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ীদের  সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর।

যে ফারাক্কা বাঁধ ও ফারাক্কার পানি নিয়ে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পানি বারবার ঘোলা করা হয়, সেই গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের মধ্য দিয়ে ভারতের সাথে পানিচুক্তি সম্পাদন করে আরেকটি বিরাজিত সমস্যার সমাধান করেন। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে প্রচলিত আইনে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার কার্যক্রমের সূচনা করেন এবং নিম্ন আদালতে খুনিদের ফাঁসির রায় সহ বিভিন্ন মেয়াদী কারাদণ্ড করা হয়। একটি বাড়ি একটি খামার, দরিদ্রদের ঘরে ফেরা কর্মসূচি, মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন, নারীর সম অধিকার প্রতিষ্ঠা সহ নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

কিন্তু, পরিতাপের বিষয় ২০০১ সালের দেশীয় ও ব্লু-প্রিন্টের নির্বাচনে পুনরায় বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সহযোগিতায় রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে। ঘৃণীত যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদ ও নিজামীকে মন্ত্রীত্ব প্রদান করে রক্তস্নাত বাংলার জাতীয় পতাকাকে কলঙ্কিত করে। সারাদেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সনাতনধর্মাম্বীদের উপর নেমে আসে চরম আঘাত। এই আঘাতকে মুক্তিযুদ্ধকালীন  নয়মাসের আঘাতের সাথে তুলনায় করা যায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা তাতেও টলেননি। পুনরায় সংগ্রাম গড়ে তুলেন একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের। দেশে আসে জরুরী অবস্থা ১/১১ এর শাসন। জেল, জুলুম, নির্বাসনে থেকেও জননেত্রী শেখ হাসিনা বিচলিত হননি। দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ১/১১ সরকারের ফাঁদে পা দিলেও তৃণমূলকর্মীরা ছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অটল। ১/১১ এর সরকার আন্দোলনের চাপে ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।

সেই নির্বাচনে ১৪ দল ও মহাজোট দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। সরকার গঠন করে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাইল ফলকে পা দেওয়ার নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেন। বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেন। পরবর্তীতে তরুণ প্রজন্মের দাবী অনুযায়ী একাত্তরের মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়, কু-খ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের অনেকেই সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হয়ে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলে। এই বিচারের কার্যক্রম এখনো চলছে।

শিক্ষার সার্বজনীনতা, সবার জন্য স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, ভারতের সঙ্গে ছিট মহলগুলির অনিস্পত্তিতে সমস্যাগুলির শান্তিপূর্ণ সমাধানসহ যে সমস্ত কার্যক্রম গ্রহণ করেন, তা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে শুধু বাংলাদেশে নয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন লক্ষ স্থির থাকলে সকল প্রতিকূলতার মধ্যে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। অতিসম্প্রতি আমাদের হাওর বেষ্টিত ৭ টি জেলায় বন্যায় সকল কিছু তলিয়ে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছুটে গিয়েছেন বানভাসী মানুষের পাশে।

দেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ও একাত্তরের পরাজিত শক্তি এখনো গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের নিশানা একটাই, শেখ হাসিনাকে নিশ্চিন্ন করা। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কামনা হোক ঝড়যঞ্ঝা ও নিজ জীবনের চক্রান্ত মোকাবেলা করে তিনি যেভাবে এগিয়ে চলেছেন সেই পথ যেন অব্যাহত থাকে । বাংলাদেশ এগিয়ে যাক আমাদের স্বপ্নের ধর্মনিরপেক্ষতার পথে, গণতন্ত্রের পথে, মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে, বিশ্বে বাংলাদেশ কুপমুণ্ডকতা, ধর্মান্ধতা, দারিদ্রতার মোকাবেলা করে হিমালয়ের মতো মাথা উঁচু করে দাঁড়াক এবং সেটা হোক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। জয় হোক বাংলার সংগ্রামী মানুষের, জয় হোক শেখ হাসিনার।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: প্রত্যাবর্তন দিবস
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

চকবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

জুলাই ৪, ২০২৬

খামেনির পাশে ১৪ মাসের নাতনির ছোট্ট কফিন, শেষ বিদায়ে আবেগঘন তেহরান

জুলাই ৪, ২০২৬

গোপনে বিয়ে সারলেন টেইলর সুইফট

জুলাই ৪, ২০২৬

‘ওরা আমাদের অনেক দৌড়াতে বাধ্য করেছে’

জুলাই ৪, ২০২৬

‘পঞ্চান্ন বছর সময় পেয়ে আমরা দেশের হয়ে উঠতে পারিনি’

জুলাই ৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT