নিজেদের একটি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করার জেরে তুরস্কের সঙ্গে সবধরনের সম্পর্ক স্থগিত করেছে রাশিয়া। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে গ্যাস সরবরাহও। চাপে থাকা তুরস্ক তাই রাশিয়ার জ্বালানির বিকল্প মিত্র খুঁজছে।
তুরস্কের উপর রাশিয়া অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বর্তমানে রুশ-তুর্কির মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তেল-গ্যাস সমৃদ্ধ রাশিয়া থেকে তুরস্ক তাদের প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস আমদানি করে। তবে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় তুরস্ক এখন বিকল্প সরবাহকারী খুঁজছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, ‘বিকল্প সরবাহকারী খুঁজে বের করা সম্ভব। আমরা শীঘ্রই তা করবো।’
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এ সপ্তাহে কাতার সফর করে গ্যাস চুক্তি সম্পন্ন করেছেন এবং তার প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু জ্বালানি সমৃদ্ধ আজারবাইজান সফরে রয়েছেন।
গ্যাসের স্বল্পতা মোকাবেলায় এরদোগান বলেছেন, তুরস্ক নবায়নকৃত জ্বালানি সম্পদের ব্যবহার চালু করার কথা ভাবছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া তুরস্ক থেকে পণ্য আমদানি স্থগিত করেছে। এ ব্যাপারে তুর্কি প্রেসিডেন্টন বলেছেন, ‘ তুরস্ক এমন দেশ নয় যে কেউ এক বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি বন্ধ করলেই অর্থনীতি ধসে পড়বে। আমরা এসবের তোয়াক্কা করি না।’
সংকট ঘনীভূত করার জন্য মস্কোকে দায়ী করে এরদোগান বলেছেন, ‘আমরা এখন তাদের ভাষায় কথা বলছি না। আমরা কূটনৈতিক ভাষায় কথা বলছি। এ বিষয়ে আমরা ধৈর্য্যশীল।’






