পানি বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের বালাসি পয়েন্টে বিপদসীমার ৯০ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি বেড়ে ৯০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটাসহ ৩৪টি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর, হাট-বাজার পানিতে তলিয়ে গেছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিছিন্ন হয়ে পরায় সরকারি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজের ক্লাস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
জামালপুরে বিশুদ্ধ পানির অভাবে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ। গত ৫ দিনে বন্যা পানিতে ডুবে মারা গেছে ৪জন শিশু। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করেছেন সির্ভিল সার্জন অফিস।
সিরাজগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টার যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওযায় ৬টি উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় কোনো ধরনের সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের।
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অপরিবর্তিত রয়েছে। জেলার ৯ উপজেলভায় সাড়ে ৫শ’ কিলোমিটার কাঁচা-পাকা সড়ক এবং ৪০ কিলোমিটার নদ-নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি বেড়েছে তিস্তা, দুধকুমার এবং অন্যান্য নদীতে।








