আগামী জুনের মধ্যে দেশের সব জায়গা থ্রিজি সেবার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে গ্রামীণফোন। এজন্য ১০ হাজার নতুন বেজ স্টেশন তৈরির মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের ঘোষণাও এসেছে গ্রামীণফোন থেকে।
একই সঙ্গে নতুন বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবাখাতের পরিধি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের মূল সত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান টেলিনরের প্রেসিডেন্ট সিগবে ব্রেক্কে।
তিনি বলেন, আশা করি প্রত্যেক বাংলাদেশি মোবাইল ব্যবহাকারী ইন্টারনেটও ব্যবহার করবে। আর সেজন্যেই নেটওর্য়াক বিস্তৃত করছি। গ্রামীণফোন এবছরের মধ্যে দশহাজার বেজ স্টেশন করে সারাদেশে থ্রি জি সেবা নিশ্চিত করতে চায়। সরাসরি না বললেও প্রশ্নোত্তরে রবি এবং এয়ারটেলের একীভূত হওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন গ্রামীণফোনের কর্তাব্যক্তিরা।
প্রেসিডেন্ট সিগবে ব্রেক্কে বলেন, ঠিকমতো সেবা দেয়ার জন্য আমাদের অবশ্য আরো তরঙ্গের প্রয়োজন রয়েছে। যদিও আমাদের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একিভূত হওয়ার ইচ্ছে নেই। তরঙ্গ কেনার আগ্রহের কথা এরইমধ্যে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছে।
গ্রামীণফোনের কর্মকর্তারা জানান, ফোর জি সেবা দিতে আমাদের তরঙ্গ এখনি প্রস্তুত। কিন্তু সমস্যা হলো হ্যান্ডসেট। এখন দেশে মাত্র এক শতাংশ মানুষের হাতে ফোর জি হ্যান্ডসেট আছে। তারা জানান, ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ এবং পরিস্কার ভয়েস কল সেবা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে নিজেদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল সেবাদাতা সংস্থা গ্রামীণফোন।
এখনই ইন্টারনেটের দাম কমার ঘোষণা না দিলেও নতুন বছরে নতুন সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গ্রামীণফোনের প্রধান।






