একবছর আগে এই পুলিশটির বদৌলতেই জীবন ফিরে পেয়েছিলো শিশুটি। জীবন ফিরে পাওয়ার সেই দিনটির এক বছর পূর্তিতে সেলিব্রেশন তাই হতেই হয়।
গতবছরের জুলাই মাসে ডালাসের এক পুলিশ অফিসারের উপস্থিতবুদ্ধি এসেছিলো খবরের কাগজের শিরোনামে। সেদিন ২২ মাস বয়সী বেক্সলি নরভেল হঠাৎই খেলতে খেলতে গিলে ফেলেছিলো আস্ত একটি কয়েন।
কিছুক্ষণ পরেই বেক্সলির মা ট্যামি নরভেল দেখেন তার মেয়ের ঠোঁট ক্রমাগত নীল হয়ে উঠছে। সঙ্গে সঙ্গে সহায়তা চেয়ে ৯১১ তে ফোন করেন ট্যামি।

রলেটের পুলিশ অফিসার প্যাট্রিক রে তখন কেবল তার কম্পিউটার বন্ধ করছিলেন। কিন্তু খবর শুনে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছুটে যান ঘটনাস্থলে। তারপরের সময়টুকু বিভিষীকার মতো। একটু একটু করে ব্রেক্সলিকে শ্বাস নিতে সহায়তা করেন রে আর যোগান মানসিক শক্তি।

ট্যামি নরভেল সাংবাদিকদের বলেন, আমি মোটেও চিনিনা এমন কারো কাছে মেয়ের দ্বায়িত্ব দেওয়া সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কাজ। কিন্তু আমি তার উপর সমস্ত ভরসা রেখেছিলাম। বিশ্বাস করেছিলাম যেটা ঠিক সেটাই সে করবে।

রের নিজেরও দুটি ছেলে সন্তান আছে। যতক্ষণ না ব্রেক্সলি শ্বাস নিতে পারছে ততক্ষণ সে তার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। পরে একটি এক্সরে থেকে দেখা যায় ওটা একটা কয়েন ছিলো তবে ব্রেক্সলি সেটা কোথায় পেয়েছিলো কে জানে। ভয়াবহ সেই ঘটনার পর ফেসবুক পোস্টে ধন্যবাদ জানালেও রের ঋণ জীবনে কখনোই শোধ করা যাবে না বলেই মনে করেন ট্যামি।

তবুও খানিকটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে তার একবছর পরেই মেয়ের সঙ্গে মেয়ের জীবন রক্ষাকারীর একটি টি পার্টির আয়োজন করেন ট্যামি। আর সেই সময়েই স্থানীয় ফটোগ্রাফার চিল কেটস তার ক্যামেরায় বন্দী করেন এই মুহূর্তগুলো।


এই সেই কয়েন যেটা ব্রেক্সলি গিলে ফেলেছিলো। পরে সেটাকে চাবির রিং বানিয়ে সংরক্ষণ করে তার মা।

ব্রেক্সলিকে বাঁচানোর পর হাসপাতালে তার সঙ্গে রে।

ঘটনার পর লোকাল হিরোর সম্মাননাও পেয়েছিলেন রে। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ব্রেক্সলি।








