ধানমন্ডির দুই দলের লড়াই। শেখ জামাল ধানমন্ডি বনাম আবাহনী লিমিটেড। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাসদের নিয়ে গড়া আবাহনীর তুলনায় কম তারকা নিয়ে গড়া ইমরুল কায়েস, সোহাগ গাজীদের শেখ জামাল। কিন্তু বুধবার এই তারকা তত্ত্ব খাটল না। বল হাতে তানভীর হায়দারের পর জিয়াউর রহমানের ব্যাটিং ঝড়ের কাছে হেরে গেলেন মাহমুদউল্লাহরা। শেখ জামালের কাছে ৬ উইকেটে হার দেখতে হয়েছে আকাশী-নীল ক্রিকেটারদের।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আবাহনীর ব্যাটসম্যানরা হাবুডুবু খেয়েছেন লেগ স্পিনার তানভীর হায়দারের ঘূর্ণিতে। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৫ রানে ৪ উইকেট এই লেগস্পিনারের।
ওপেনার লিটন দাস এবং অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ছাড়া উল্লেখযোগ্য রানের ইনিংস আসেনি আর কারও ব্যাটে। ৩ চার ও ২ ছয়ে ৮২ বলে ৬২ রান করেছেন লিটন, আর ৬৬ বলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ৬২ রানের ইনিংসটি সাজানো ২ চার ও ৩ ছয়ে ৬৬ বলে। দুই ব্যাটসম্যানই আউট হয়েছেন তানভীরের বলে। শেষ বলে অলআউট হয়ে ২৬৯ রানে থেমেছে আবাহনীর ইনিংস।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল না শেখ জামালের। দলীয় ১৪ রানের মাথায় ৮ রানে সাজঘরে ওপেনার ইমরুল কায়েস। সে অবস্থা থেকে ইনিংস মেরামতে নামেন আরেক ওপেনার ফজলে মাহমুদ এবং ভারতীয় ব্যাটসম্যান প্রশান্ত চোপড়া। আহত অবসরের আগে ফজলে করেছেন ৬৩ রান, প্রশান্ত আউট হয়েছেন ৫৭ রান করে।
শেখ জামালের জয়ের আসল নায়ক অবশ্য জিয়াউর রহমান। জাতীয় দলের বাইরে থাকা মারকুটে এই অলরাউন্ডার ব্যাটে ঝড় তুলেছেন। তার ঝড়েই ১২ বল আগে ৬ উইকেটে জয়ে নোঙর ফেলে শেখ জামাল।
তিন চার ও ছয় ছয়ে ৫৭ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন জিয়াউর। বল হাতে ৭.১ ওভার হাত ঘুরিয়ে পেয়েছেন শান্তর উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরষ্কারটাও গেছে তার হাতেই।








