যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন: ২০২৩ সালে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএনপি-জামাত একটা প্রতিপক্ষ, তারা এই দেশটাকে কখনোই চায় নাই এবং তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হলো ষড়যন্ত্র আর চক্রান্ত করা। দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এই দেশ স্বাধীন হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আপনারা সজাগ থাকবেন যেন ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে নিয়ে কোন রকম ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করতে না পারে।
সোমবার টুঙ্গিপাড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সমাজের পিছিয়ে পড়া ১০০০ মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
পরশ বলেন: আজকের আয়োজন একটা বিশেষ কারণে, একটা বিশেষ ব্যক্তির জন্য। যে মানুষটি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই এই মাটির সন্তান। এই মাটিকে যে ভালবেসেছিল, আপনাদেরকে যে ভালবেসেছিল সেই মানুষটির জন্মদিন, জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আপনাদের প্রাণপ্রিয় সাংসদ জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি।
তিনি বলেন: আমাদের ৭ম জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে এবং করোনা মহামারিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজন। তবে আজকের এই আয়োজন আমার কাছে ভিন্ন এক অনুভূতি মনে হচ্ছে। কারণ এই গোপালগঞ্জের মাটিতেই শুয়ে আছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পবিত্র মাটিতেই তাঁর জন্ম, শৈশব-কৈশোর বেড়ে ওঠা। এই মাটিকে তিনি বড়ই ভালবাসতেন। এই মাটিকে ভালবেসে, এই অঞ্চলের মানুষকে ভালবেসেই তিনি ধাপে ধাপে সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের নেতা হয়েছেন। আপনারা জানেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সারা জীবন আপনাদের কথায় ভেবেছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা তিনি কখনই ভাবেন নাই। তিনি মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়েও গণমানুষের কাছে ফিরে গিয়েছেন। গণমানুষের অধিকার আদায় করা ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক মূল লক্ষ্য। আজকের এই উপহার সামগ্রী কোন ত্রাণ নয় এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আর আপনাদের অধিকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার সংগঠন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ধ্যান-ধারণার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় যুবলীগ। যুবলীগ তার মানবিক কার্যক্রম চলমান রাখবে।
যোগ করেন: আপনারা জানেন ২০০৮ সালের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ইশতেহার দিয়েছিলেন তা তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলেছেন। আজকে পটুয়াখালী পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও একটি মাইলফলক অর্জন করলো। সেটা হলো দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনা আবারও প্রমাণ করলেন যে, তিনি যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা অবশ্যরই পালন করেন। সোনার বাংলা বিনির্মাণে তিনি তার পিতার স্বপ্ন ধাপে ধাপে পূরণ করেই চলেছেন। আজকে তিনি শুধু বাংলাদেশেরই নেত্রী নয় তিনি আজ সারা বিশ্বের সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন। বাংলাদেশের মর্যাদা তিনি সারা বিশ্বে তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশ এখন আর নিম্ন আয়ের দেশ নয়, গরীব দেশও নয়, উন্নয়নশীল দেশ। আর কয়েকটি বছর তিনি কাজ করলে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।
আজকে আপনাদের সবার হাতেই মোবাইল। আজ থেকে ১৩ বছর আগে কি ছিল বাংলাদেশ? ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, জনগণের হাতে হাতে মোবাইল কল্পনাও করতে পারেননি। কিন্তু শেখ হাসিনা তা করে দেখিয়েছেন।








