জামায়াতের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং তাদের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের মালিকানায় নেয়ার আহবান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের যে ক্যাডাররা এতদিন মানুয়ের রগ কাটতো তারাই এখন জঙ্গি তৎপরতা চালাচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর রমনা তেজগাঁও এলাকার-আলেম-ওলামাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জঙ্গিবাদ বিরোধী বৈঠকে এই আহবান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ। দেশে আইএসের নামে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেয়ার পেছনে সরাসরি ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে।
মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ বলেন, ‘জামায়াত ইসলামকে এখন বেআইনী ঘোষণা করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করুন ’
তিনি আরো বলেন, ‘শুধু নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেই চলবে না, কারণ এদের প্রাণভোমরা তো আল্লাহ বা আল্লাহর একিন নয়, এদের প্রাণভোমরা তাদের আর্থিক শক্তি। তাই তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের আওতায় আনা হোক। ’
দেশে আই এসের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে আবারও জোর দিয়ে বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘আমরা যতো জঙ্গি ধরছি, তার সুতো টেনে যদি গোড়ায় যাওয়া যায় তাহলে দেখা যায় এই জামায়াত ইসলাম, ছাত্রশিবির একই সুতোয় গাঁথা। যারা আগে রগ কাটতো তারাই এখন জঙ্গি কার্যক্রম ঘটাচ্ছে।’
ইসলামিক স্টেট আইএস ইহুদিরা নিয়ন্ত্রণ করছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে হত্যার নির্দেশ দিতে পারে না।






