জামদানি শিল্পের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং প্রসারে শুরু হয়েছে জামদানি প্রদর্শনী। জামদানি শিল্প নগরীর সমস্যা দূর করে এ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ের কথা বলেন বিসিক চেয়ারম্যান। তাঁতীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন শিল্পমন্ত্রী।
মসলিনের ঐতিহ্য ক্ষয়িষ্ণু হওয়ার পর মসলিনের কারিগরদের হাতেই বিকশিত হয় জামদানি। ৫ ফুট শরীরে ১২ হাত শাড়ির মায়াবী আবরণ বাঙালি নারীর সৌন্দর্যকেই শুধু বাড়ায়নি ,বাড়িয়েছে নারীর রুচিকেও। কিন্তু প্রযুক্তির আধুনিকতা আর সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখনো পিছিয়ে তাঁতীর নিপুণ হাতে তৈরি জামদানি। সুঁই -সুতায় তৈরি এক জমিনে এক রূপকথার জন্ম হওয়া জামদানির বিকাশে জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করা হয়েছে ১০ দিনের জামদানি প্রদর্শনী। প্রদর্শনীর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে চ্যানেল আই।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন বিসিক এবং জাতীয় জাদুঘরের যৌথ আয়োজনের আলোচনায় বিসিক চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন খান বলেন, জামদানি শিল্পী ও তাঁতীদের টিকিয়ে রাখতে এবং জীবনমান উন্নয়নে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিক।
তিনি আরো জানান, ওই শিল্প নগরীকে শুধু দেশবাসীই নয়, বিদেশি পর্যটকরাও এই শিল্পনগরী দর্শনীয় স্থান হিসেবে দেখতে যাবেন এমনভাবেই সাজানোর পরিকল্পনা হয়েছে। এই শিল্পের পেছনে কী কী সমস্য আছে, তা তারা সনাক্ত করে এর সমাধানের পথ বের করা হচ্ছে। জামদানিকে বিশ্বের দরবারে এক ঐতিহ্যবাহী শিল্প হিসেবে উপস্থাপন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিসিক চেয়ারম্যান।
নারায়নগঞ্জে শিল্প নগরীর বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার এবং সদ্ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, প্রকৃতভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তারা যেনো দখল হওয়া জায়গাগুলো ফিরে পায়, সেদিকে দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন বলে্ আমি মনে করি।
তবে মেলায় ১২ হাজার টাকা স্টল ভাড়া দিয়ে অংশগ্রহণ করিয়ে তাঁতীদের উদ্বুদ্ধ করার এ উদ্যোগ কতোটা তাঁতীদের কল্যাণে আসছে তা নিয়ে প্রশ্ন খোদ তাঁতীদের।







