জাপানে পর পর দু’দফা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৪১-এ। ভূমিকম্পে আটকে পড়াদের উদ্ধারকাজ চলছে পুরোদমে। তবে ভূমিকম্প কবলিত কিয়ুশু অঞ্চলে চলছে ভারী বৃষ্টিপাত ও শীতের প্রকোপ।
বৃষ্টি ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যেতে উদ্ধারকর্মীদের ‘সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে হবে’ বলে সতর্ক করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
পর পর দু’দিনের ভূমিকম্পে জাপানের কিয়ুশুতে আহতের সংখ্যা ৯শ’ ছাড়িয়েছে। বেঁচে যাওয়া হাজার হাজার মানুষ এখন বাস করছে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে। এছাড়াও প্রায় দুই লাখেরও বেশি মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
দু’দফা ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও তা আবার সরিয়ে নেয়া হয়। তবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধস ও আর ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পে এলাকাটির প্রায় সব ভবনেরই অবস্থা করুণ। এখনও দাঁড়িয়ে থাকা ভবনগুলোর কোনোটায় ফাটল ধরে কাত হয়ে আছে, কোনোটা আবার ভিত থেকে সরে গিয়েছে। কোনোটার আবার অনেকখানি অংশ ভেঙ্গে ঝুলে আছে রাস্তার ওপর। তােই কিয়ুশুতে, বিশেষ করে মাশিকি শহরে আপাতত রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়াও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
ভূমিকম্প পরবর্তী জাপানের অবস্থা দেখিয়ে ড্রোন ক্যামেরায় ধারণকৃত একটি ছোট ভিডিওচিত্র ইউটিউবে প্রকাশ করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম কিয়োডো নিউজ। দেখুন ভিডিওটি:








