নতুন বছরের জানুয়ারি থেকেই বেতনের আওতায় আসছেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের ফুটবলাররা। মঙ্গলবার ফেডারেশন ভবনে ঢাকা ব্যাংকের সঙ্গে ৬ বছরের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন।
বয়সভিত্তিক থেকে শুরু করে মূল দল, মেয়েদের প্রত্যেকটি জাতীয় দলের পৃষ্ঠপোষকতা করবে ঢাকা ব্যাংক। অর্থের পরিমাণ উহ্য রাখলেও এই অর্থকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করে ফুটবলারদের মান অনুযায়ী বেতন দেয়ার ঘোষণা দেন সালাহউদ্দিন। বেতনের পাশাপাশি মেয়েদের উন্নত কোচিং ও মানসম্মত খাদ্যের জন্য অর্থ খরচ করা হবে বলেও জানান দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার প্রধান।
‘জানুয়ারি থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতন থাকবে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে। কারণ হাতের পাঁচ আঙুল তো সমান নয়। তারা এখন মাসিক বেতনের আওতায় চলে আসছে। তবে সবাই সমান বেতন পাবে না। ক্যাটাগরি ১,২,৩ হয়ে যাবে।’
‘মেয়েদের জন্য ইতিমধ্যেই তিন বিষয়ের শিক্ষক চলে এসেছে। এখন আমরা হয়তো আরও দুই-তিন বিষয়ে শিক্ষক বাড়িয়েও দেব। তাদের খাবারের পেছনেও অর্থ খরচ হবে। তাদের আর অন্য সবার খাবার কিন্তু এক নয়। পোশাকসহ অন্যান্য খরচও আছে। সকল অর্থই নারী ফুটবলের জন্য খরচ হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে নারী ফুটবলারদের জন্য লিগ চালু করার প্রসঙ্গ উঠলে ক্লাবগুলোকেই দোষ দিলেন সালাহউদ্দিন। জানালেন, বড় বড় ক্লাবগুলোর অনিচ্ছার কারণেই মাঠে গড়াচ্ছে না মেয়েদের ফুটবল লিগ।
‘লিগ করতে পারছি না। এটা আমাদের সমস্যা নয়। আমরা সবার সঙ্গেই কথা বলছি। লিগ তো আমার ঘোষণা করার কথা, গুছিয়ে দেয়ার কথা। কিন্তু খেলতে হবে তো। আপনাকে আসতে হবে। এখনো ক্লাবগুলোকে দেখে মনে হচ্ছে তারা প্রস্তুত না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে প্রতিবছর লিগ আয়োজন করবো। লিগ শুরু করতে হলে সাত থেকে দশটা দল দরকার। যদি আমরা সাতটা ক্লাব নিয়ে আয়োজন করি, তাহলে লিগটা দেখতে ভালো লাগবে। তাই আমরা তাদের সময় দিতে চাই। যেন সবকিছু গুছিয়ে উঠে লিগ আয়োজন করতে পারি।’







