বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য নিয়ে শহীদ সুরকার আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানোর পর এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে শাওন মাহমুদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেছেন, গয়েশ্বর রায় যেমন তার অবস্থান পরিস্কার করেছেন তেমনি আরো অনেকের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে গেছে।
তার সাক্ষাতকারের বিস্তারিত:
চ্যানেল আই অনলাইন: একাত্তরে শহীদের সংখ্যা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে আপনি প্রয়োজনে একা লড়ার কথা বলেছেন। একজন শহীদের সন্তানের কষ্ট আমরা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারি। আপনি আসলে কোন মতাদর্শিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রামের দিক থেকে ওই কথা বলেছেন?
শাওন মাহমুদ: আমি আসলে সবসময়ই বিশাল কোনো কথাও হয়তো খুব ছোট করে বলি বা লিখি। এজন্য আমাকে যারা বোঝেন না তারা গুছিয়ে না লেখার কারণে আমার কথাগুলোকে ভুল বোঝেন। তাই আমি এখানে কিছু বিষয় আগে পরিস্কার করতে চাই।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশকে আরো নেতৃত্বশূন্য করতে রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক অত্যাচার হয়েছে। একদিকে নিজেরা নিজেরা লড়াই করেছে। অন্যদিকে, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গীসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে।
সেখান থেকে আমার মনে হয়েছে, আমাদের মতো স্বাধীনতা পরবর্তী পুরো প্রজন্মকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের জটিলতা, অপমান, ভুল ও বিভ্রান্তির মধ্যে বড় হতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী পরিবারগুলো আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলতে পারছিলো না। রাজাকাররা মন্ত্রী হয়েছে, বড় বড় সংস্থার উচ্চপদ পেয়েছে।
এভাবে ভেতরে ভেতরে গুমরে একসময় মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী মানুষদের বিশাল একটি অংশ ও তাদের পরবর্তী প্রজন্ম ২০০৭-০৮ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। শুধু এই একটি বিচারের আশায় তখন তারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয়।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শুরু হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ায় ২০১৫-তে এসে মুজাহিদসহ কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হয়েছে, আরেকজন অপেক্ষায় আছে। এমন সময়ে এসে গয়েশ্বর রায় যখন বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে কটুক্তি করেন, খালেদা জিয়া বলেন শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে; তখন আমার মনে হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি যদি এর প্রতিবাদ না করি তবে অন্যায় হবে।
গত ৩০-৪০ বছরের রাজনীতি সম্পর্কে সামান্য ধারণা থাকলেও আমার কথা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা না। গয়েশ্বর রায় এখন আমার কাছে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায় না তাদের একটি প্রতীক। আমার ‘মারবো’ কথাটাও ক্ষোভের প্রতীক। তাই অামি বলেছি, আমি তার সঙ্গে কথা বলবো, তার ঠিকানা চাই। কারণ আমি বিশ্বাস করি, আগামী প্রজন্ম গয়েশ্বরের মতো ব্যক্তিদের উপড়ে এই বাংলাদেশ থেকে ফেলে দেবে। তার ঠিকানা বাংলাদেশে হতে পারে না।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনি বলেছেন আপনি তার বাসার সামনে দাঁড়াবেন, প্রয়োজনে একাই লড়বেন। আপনি তো একা নন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাই আপনার সঙ্গে আছেন। আপনার স্ট্যাটাসে কমেন্টই তার ছোট একটা উদাহরণ। পরিচিত-অপরিচিত সবাই আপনার পাশে দাঁড়াতে তৈরি। আপনি কি তাহলে কোনো সংগঠিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যেতে চান?
শাওন মাহমুদ: আমি বলেছি মানববন্ধন করবো না, প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ করবো না। এই বিষয়ে যে যার জায়গায় থেকে প্রতিবাদ করতে পারে। কেউ মানববন্ধন করতে পারে, কেউ আবার ঘরে বসেও বলতে পারে আমি তোমার সঙ্গে আছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তাকেও আমি খুব শ্রদ্ধা করি।
আমি কোনো সংগঠন হিসেবে বা সংগঠিত প্রতিবাদ নিয়ে যেতে চাইনি। আমি একা যাবো বলেছি কারণ আমি সবসময়ই মনে করি আমরা প্রত্যেকে আমি মানেই বাংলাদেশ। কারণ আমি বিশ্বাস করি ‘আমি’ মানে বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষই গয়েশ্বরের বক্তব্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ নিজেই একটি সংগঠন। বাংলাদেশের ভিত্তি, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কিছু বলার আগে মানুষকে বুঝতে হবে তারা পুরো বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই কথা বলছে। তাদের বুঝতে হবে পরিস্থিতি আর আগের মতো নেই।
আমি প্রথমে খুবই ব্যক্তিগতভাবে কথাটা নিয়েছিলাম। কারণ আমি ভাবতেই পারিনি একটা মানুষ কীভাবে আমরা, শহীদ জায়ারা, শহীদ সন্তানেরা বেঁচে থাকতে এসব কথা বলতে পারে; তাও আবার এমন একটা সময়ে, যখন আমরা মুক্তিযুদ্ধের ওপর থেকে সব কলঙ্ক ধীরে ধীরে মুছে ফেলছি!
চ্যানেল আই অনলাইন: গয়েশ্বর রায় বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবীরা জানতেন যুদ্ধ হচ্ছে, তাদের ওপর হামলা হচ্ছে, তাও কেনো তারা শেষ দিন পর্যন্ত ঘরে থাকলেন? আপনি কী বলেন এ ব্যাপারে?
শাওন মাহমুদ: এমন প্রশ্নের কী উত্তর হতে পারে? আমার উদাহরণই দেই, আমি বলেছি গয়েশ্বরের সঙ্গে দেখা করবো। আমি কিন্তু আমার ঠিকানাতেই আছি। কিন্তু গয়েশ্বরের দেখা নেই। আমি যদি সাধারণ গৃহিনী হয়ে আমার ঘরে থেকে গয়েশ্বরের মতো রাজনীতিককে চ্যালেঞ্জ করে বসতে পারি, তাহলে বুদ্ধিজীবীরা কেনো যাবেন?
গয়েশ্বর রায় কেনো এতো ভয় পাচ্ছেন আমি জানি না। আমি শুধু তাকে সামনাসামনি দু’টো কথা বলতে চাই: ১. আপনি কি আগামীতে সত্যিই বাংলাদেশে থাকবেন? থাকলে নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে সাবধানে থাকবেন। ২. আপনাকে ধন্যবাদ; আপনার আচরণের কারণেই নতুন প্রজন্ম জেনে রাখলো আপনি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে।
চ্যানেল আই অনলাইন: গয়েশ্বর রায়তো এ কথাও বলেছেন, বুদ্ধিজীবীরা শেষ দিন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বেতন খেয়েছেন। এটা দিয়ে কি তিনি বোঝালেন না বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানের পক্ষে ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিলেন?
শাওন মাহমুদ: কীসের পাকিস্তানের বেতন? ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার পরই তো আমাদের বাংলাদেশের জন্ম। নামে পাকিস্তান থাকলে কী আসে যায়? তারা এর আগে দু’বার ক্ষমতায় থেকেও কেনো এসব নিয়ে কথা তোলেননি? প্রমাণ থাকলে কেনো তখন নিয়ে আসেননি, জরিপ করেননি? তখন কেনো জাতীয় দিবসগুলোতে বক্তৃতা দিয়েছেন ‘ত্রিশ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে…’? তারা আসলে এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগছেন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাদের। তাই নতুন করে আলোচনায় আসতে এসব কথা বলছেন। তাদের কথাবার্তা আবারো প্রমাণ করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে।
চ্যানেল আই অনলাইন: শহীদ-সন্তানদের নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, কিন্তু তারা আওয়ামী লীগেরও পক্ষে। এ বিষয়ে কিছু বলুন।
শাওন মাহমুদ: এটা কথিত নয়, বাস্তব। কারণ এখানে সমর্থন মূল ব্যাপার না। বিএনপি যদি কখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নিতো, শহীদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সন্তানরা নিঃসন্দেহে বিএনপিকেও ধন্যবাদ দিতো। আমাদের চাওয়া একটাই ছিলো, যুদ্ধাপরাধের বিচার। প্রধানমন্ত্রী হয়ে শেখ হাসিনা সেই চাওয়া পূরণ করছেন। তাকে তো আমাদের ধন্যবাদ দিতেই হবে।
ব্যক্তিগতভাবে যে কেউ যে কোনো দলকে রাজনৈতিক সমর্থন দিতেই পারে। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের বিচার করছে বলে আওয়ামী লীগ সরকার তো ধন্যবাদ পেতেই পারে।
এখানে আমি আরো একটু কথা বলতে চাই। শহীদ আলতাফ মাহমুদকে ১৯৭৭ সালে একুশে পদক এবং ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়। নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধ এবং শহীদদের কথা জেনে-বুঝেই বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে আলতাফ মাহমুদকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করেছেন। কিন্তু এখন তার নিজের এবং তার দলের অবস্থানগত এতো পরিবর্তন কেনো হলো যে তিনি নিজেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত কথা বলছেন! তিনি যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তিনি যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তাহলে কেউ কেনো আশা করবেন যে শহীদের সন্তানেরা রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে সমর্থন জানাবে! অন্ততঃ বাংলাদেশ, এর মৌল ভিত্তি, মুক্তিযুদ্ধ এবং শহীদদের প্রশ্নে সব দলকে একই অবস্থানে থাকতে হবে। এখানে কোনো ব্যতিক্রম হলে ওই দল বা গোষ্ঠি নিশ্চয়ই বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি হতে পারে না। আর একটি দল বাংলাদেশের পক্ষে না হলে যাদের রক্তের বিনিময়ে এ বাংলাদেশ সেই শহীদের সন্তানেরা কিভাবে একটি দলকে সমর্থন জানাতে পারে!
চ্যানেল আই অনলাইন: আওয়ামী লীগের দলগত আদর্শ সময়ের সাথে অনেকটা পাল্টে গেছে। তাছাড়া চোখে পড়ার মতো কিছু কর্মকাণ্ডও ঘটছে দলের লোকজনের মাধ্যমে। একজন শহীদ-সন্তান হিসেবে কি আপনি দলটির বর্তমান মতাদর্শ আর কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট?
শাওন মাহমুদ: একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বলতে পারি, পথ চলতে গিয়ে হওয়া ভুলভ্রান্তি সম্পর্কে তাদের আরো সচেতন এবং আমাদের আরো সজাগ হওয়া দরকার। আর একজন শহীদ সন্তান হিসেবে বলবো, এক যুদ্ধাপরাধের বিচার করায় তাদের অন্য সবকিছুও আমরা মেনে নেবো, এটা আমি মানি না। যা ভালো তা ভালো, আর যা খারাপ তা খারাপ। যে ভুলগুলো হচ্ছে তা শুধরাতে হবে।
চ্যানেল আই অনলাইন: প্রায়ই দেখা যায়, আপনি বেগম খালেদা জিয়া বা তার বক্তব্যের বিপক্ষে কথা বলেন। আপনি কি তবে খালেদা জিয়া বিরোধী?
শাওন মাহমুদ: খালেদা জিয়ার মতো একজন নেত্রী, যার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, যিনি নিজে দু’বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এবং দু’বার বিরোধী দলীয় নেত্রী হয়েছেন, এখন বিএনপির চেয়ারপার্সন হিসেবে আছেন, তিনি যখন এমন কথা বলেন, তখন তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতেই হয়।
খালেদা জিয়াকে আগেও আমরা দেখেছি। কিন্তু সম্প্রতি তিনি এতোটাই লাইনচ্যুত হয়ে গেছেন যে তার কারণটা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। এক হতে পারে, উনি এখন কিছু বলার আগে ভাবেন না তিনি কী বলছেন বা কথাটা বললে তার পরিণাম কী হবে। কথা বলার আগে বিষয়টা নিয়ে হোমওয়ার্ক করে নেন না তিনি।
আরেক হতে পারে, তার আশেপাশে যারা আছেন, তাদের কথাগুলোই বলেন তিনি। ভেবে দেখেন না নিজের অবস্থানের কথা, তিনি যে এককালের প্রধানমন্ত্রী।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনি গয়েশ্বর চন্দ্রের বক্তব্যের প্রতিবাদ করার পর অনেকেই আবার পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন কাদের সিদ্দিকীও অনেক আগে এমন কথা বলেছেন। তাহলে শুধু গয়েশ্বরের বিরুদ্ধেই কেনো এতো প্রতিবাদ? কাদের সিদ্দিকীকে নিয়ে কেনো কিছু বলছেন না?
শাওন মাহমুদ: গয়েশ্বর রায় শুধু একজন ব্যক্তি নন, এই নামটা এখন আমার কাছে একটা প্রতীক। আমি মনে করি, গয়েশ্বরের সঙ্গে কথা বলতে পারলেই কাদের সিদ্দিকীর মতো মানুষের কথার উত্তর দেয়া হয়ে যাবে। জনে জনে ডেকে তো সবার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব না। আমরা যখন বলেছি ‘যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই’, কথা একটাই ছিলো। কিন্তু আমরা জানতাম এই এক যুদ্ধাপরাধীর বিচার করলেই এরকম অজস্র কুলাঙ্গার আসল চেহারা নিয়ে বেরিয়ে আসবে।
চ্যানেল আই অনলাইন: মুক্তিযুদ্ধের নিষ্পত্তি হওয়া ইস্যুগুলো নিয়ে বিতর্ক উঠলে তার ব্যবস্থা নিতে অনতিবিলম্বে ‘হলোকাস্ট ডিনায়াল অ্যাক্ট’ করার দাবি জানানো হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলেন?
শাওন মাহমুদ: এর আগেও বাংলাদেশের ইতিহাসে শূন্যতা সৃষ্টির জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায়ই হয়তো এবারের ঘটনাটি ঘটলো। এসবের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
তবে আমি সবসময়ই কিছু বিষয় রাষ্ট্রের ওপর ছেড়ে দেই। আমরা অনেক কিছুই বলতে পারি বা দাবি করতে পারি। সবগুলোই যে রাষ্ট্রকে করতে হবে, বা রাষ্ট্র করতে পারবে এমন কোনো কথা নেই। এজন্য রাষ্ট্রকে সময় দিতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন রকম ব্যাপার থাকে। এর মধ্য দিয়েই হয়তো অনেক কু-চেহারার লোক বেরিয়ে আসবে। এদের চিনে রাখতে হবে।
৭৫’র পর ইতিহাসে সৃষ্ট শূন্যতায় আমরা দিকহারা হয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের টিকে থাকাটাই তখন অনেক বড় একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। সেই শূন্যতার কারণে এই প্রজন্মকে অস্থির একটা সময় পার করতে হচ্ছে। এই সময়টাই দিতে হবে। একসময় দেখা যাবে বাংলাদেশ এই সব সমস্যা ঝেড়ে-মুছে উঠে দাঁড়িয়েছে।







